This is default featured post 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

Showing posts with label Twitter. Show all posts
Showing posts with label Twitter. Show all posts

Wednesday, October 12, 2011

টুইট বাঁচালো টুইটার

‘টুইট’ কথাটি টুইটারের সঙ্গে পরিচিত হলেও এতোদিন এ শব্দটি টুইটারের নিজস্ব শব্দ ছিলো না। টুইটার কর্তৃপক্ষ ‘টুইট’ শব্দটির পেটেন্ট করাতে গিয়ে টের পায় শব্দটি আগেই পেটেন্ট করিয়ে রেখেছে টুইটঅ্যাড নামের একটি প্রতিষ্ঠান। শেষতক ‘টুইট’ বাঁচাতে টুইটঅ্যাডের সঙ্গে সমঝোতা করেছে টুইটার কর্তৃপক্ষ। খবর ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর।

‘টুইট’ শব্দটি নিজেদের দাবি করে টুইটঅ্যাডের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলো টুইটার কর্তৃপক্ষ। কিন্তু মামলার নিষ্পত্তির আগেই দুটি প্রতিষ্ঠান সমঝোতা করে নিয়েছে। সমঝোতায় টুইটারকে ‘টুইট’শব্দটির ট্রেডমার্ক দিয়ে দিয়েছে টুইটঅ্যাড কর্তৃপক্ষ। এর বিনিময়ে টুইটঅ্যাড কর্তৃপক্ষ টুইটার কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে টুইটারে অনলাইন অ্যাড পেমেন্ট সার্ভিসটি চালু রাখার প্রতিশ্রæতি পেয়েছে।

জানা গেছে, এখন ‘টুইট’ শব্দটির মালিকানা বা ট্রেডমার্ক শুধুই টুইটারের। সমঝোতা করেই ‘টুইট’ বাঁচালো টুইটার।



বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

Thursday, August 4, 2011

Earth's two moons? It's not lunacy, but new theory

মাইক্রোব্লগিং জায়ান্ট টুইটার ব্যবহারকারীদের দেয়া রেসিপি থেকে একটি বই তৈরি হয়েছে। এ রেসিপির বইটিতে ৫০টি খাবার তৈরির রেসিপি দেওয়া আছে। তবে, সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে প্রতিটি রেসিপি দেয়া হয়েছে মাত্র ১৪০টি অক্ষরের মধ্যেই।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, এ বইটিকে বলা হচ্ছে টুইট পাই রেসিপি বা ‘টুইটসিপি’। এ বইতে যেসব রেসিপি দেয়া আছে সেগুলো টুইটার ব্যবহারকারী এবং বিখ্যাত শেফদের দেওয়া। এ বইটির নাম দেয়া হয়েছে ‘দ্যা ওয়ার্ল্ড’স শর্টেস্ট রেসিপি বুক’।

জানা গেছে, টুইসিপিতে রান্নার উপকরণ থেকে শুরু করে, বানানোর কৌশল, ডেজার্ট, পানীয় তৈরি বা স্ল্যাক্স তৈরির নির্দেশনা মাত্রই ১৪০ অক্ষরে দেয়া আছে।

জানা গেছে, বই বিক্রি করে যে আয় হবে তা চলে যাবে ফুডসাইকেল নামে একটি দাতব্য প্রতিষ্ঠানে।

বইটি কেনা যাবে ফুডসাইকেল-এর ইবে পেজ থেকে।


বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

Thursday, July 28, 2011

আরো সহজ হচ্ছে টুইটার সার্চ

সম্প্রতি মাইক্রোব্লগিং জায়ান্ট টুইটার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সাইটটির সার্চ পদ্ধতি আরো সমৃদ্ধ এবং সহজতর হচ্ছে। টুইটার কর্তৃপক্ষের দাবি, ক্ষুদে বার্তার সাইটটি এবং আলাদা সার্চ সাইট উভয়ক্ষেত্রেই সার্চ পদ্ধতিতে পরিবর্তন আসছে। খবর এমএসএনবিসি-এর।

টুইটার কর্তৃপক্ষের বরাতে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, টুইটারের সার্চ পদ্ধতিতে চলতি সপ্তাহের মধ্যেই পরিবর্তন আসছে; কারণ, দ্রুতই টুইটারের সার্চ ইঞ্জিনটির ব্যবহার বাড়ছে। এমনকি তা প্রতি সেকেন্ডে ৩০ হাজারের মাত্রাও ছাড়িয়ে গেছে।

জানা গেছে, নতুন সার্চ ইঞ্জিনে সহজেই যে কোনো তথ্য পাওয়া যাবে। সার্চ ইঞ্জিনে সার্চের বিষয়টি লিখলে  ডান দিকের প্যানেলে একটি পপ-আপ বার দেখা যাবে যাতে কোনো নির্দিষ্ট একটি টুইট সার্চের ফলাফল দেখানো হবে, পাশাপাশি সেখানে ওই টুইট বিষয়ক ছবি, ভিডিও গ্যালারি এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়টিও দেখানো হবে।




বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

Tuesday, July 26, 2011

মিডিয়ায় শীর্ষ প্রভাবশালী জুকারবার্গ

সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী দৈনিক গার্ডিয়ান এ বছর সে দেশটিতে প্রভাবশালী মিডিয়া ব্যক্তিত্বদের এক তালিকা তৈরি করেছে। সে তালিকার শীর্ষে রয়েছেন সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং জায়ান্ট ফেসবুক প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও মার্ক জুকারবার্গ। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটার সহ-প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক ডরসি। খবর বিবিসি অনলাইন-এর।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, যুক্তরাজ্যে প্রভাবশালী মিডিয়া ব্যক্তিত্ব হিসেবে গত বছর অ্যাপল প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও স্টিভ জবস এবং মাইক্রোসফট সিইও স্টিভ বলমার শীর্ষ তালিকায় ছিলেন। কিন্তু এ বছর সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটের শক্তিমত্তা বিবেচনায় তারা পিছিয়ে গেছেন।

জানা গেছে, স্টিভ জবসকে শীর্ষ থেকে ৫ নম্বরে ছিটকে ফেলে প্রথম স্থানটি এখন মার্ক জুকারবার্গের। আর এ তালিকার বাইরেই চলে গেছেন মাইক্রোসফটের বর্তমান সিইও স্টিভ বলমার।

সংবাদমাধ্যমটি আরো জানিয়েছে, গার্ডিয়ান কর্তৃপক্ষ শীর্ষ প্রভাবশালী মিডিয়া ব্যক্তিত্বের তালিকা করতে প্রযুক্তির ক্ষেত্র, পাবলিক রিলেশন এসব বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়েছেন।

জানা গেছে, শীর্ষ ১০০ জনের তালিকায় ঠাঁই হয়নি ‘টুইটারার’ খ্যাত স্টিফেন ফ্রাই এবং ‘ডিজিটাল চ্যাম্পিয়ন’ খ্যাত মার্থা লেন ফক্স-এর।

এবারের তালিকায় আবারো উন্নতি ঘটেছে উইকিলিকস প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের। ২০১০ সালে প্রভাবশালী মিডিয়া ব্যক্তিত্ব হিসেবে তার অবস্থান ছিলো ৫৮তে। ২০১১ সালে তার অবস্থান এখন ৩২-এ।




বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

Monday, July 18, 2011

টুইটারে বার্তা লিখে বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তি

যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রতি ৩৭ হাজার ডলার শিক্ষাবৃত্তি ঘোষণা করেছে শুধু টুইটারে একটি বার্তা (টুইট) লেখার জন্য। বিশ্ববিদ্যালয়টির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সেরা টুইট নির্বাচিত হলে সহজেই শিক্ষার্থীরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগে স্নাতকোত্তর (এমবিএ) কোর্সে পড়ার জন্য আবেদনকারীকে টুইট পরীক্ষা দিতে হবে এবং টুইটারে ১৪০ অক্ষরের মধ্যেই আবেদনকারীকে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। আর প্রশ্নের সঠিক উত্তর লেখা এবং সেই উত্তরটিতে সবচেয়ে বেশি নম্বর পেলেই মিলে যাবে এমবিএ পড়ার সুযোগ।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আবেদনকারীকে খুদে ব্লগ লেখা (মাইক্রোব্লগিং) এবং সামাজিক যোগাযোগে (সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং) দক্ষতার পরীক্ষা দিতে হবে। ১৪০ বা এর চেয়ে কম অক্ষরের উত্তরেই তাঁদের নির্বাচিত করা হবে। কিনজি ডেকেনজা নামের এক আবেদনকারী বলেন, ‘এ পরীক্ষা পদ্ধতিটি সহজ মনে হলেও, মোটেও তা নয়। আমি টুইটার পেইজে লিখতে গিয়েছিলাম। কিন্তু আমার বার্তা সব সময়ই ছিল ১০০ শব্দের নিচে কিংবা ২০০ শব্দের উপরে।’ কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, আবেদনকারী ইচ্ছে করলে টুইটের উত্তরের সঙ্গে নিজের ওয়েবসাইটের ঠিকানা, ব্লগ বা ভিডিও জুড়ে দিতে পারবেন, যা প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সাহায্য করবে।
উল্লেখ্য, আগে আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিএ ভর্তির জন্য ৮০০ শব্দের একটি রচনা লিখতে হতো। এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, রচনা লেখার বিষয়টি পরীক্ষা করলে দেখা যায়, সব রচনা ঘুরেফিরে একই রকম হয়ে যায় এবং সেখানে সৃজনশীল বলে কিছুই থাকে না। আর তাই নতুন উদ্ভাবনী এ পদ্ধতিটি তারা চালু করেছে এবং এতে আশাব্যঞ্জক ফল পাবে বলেও তারা মনে করছে।
—টেলিগ্রাফ অনলাইন অবলম্বনে প্রদীপ সাহা প্রথম আলো

Friday, July 15, 2011

সৃজনশীল টুইটে মার্কিন ইউনিভার্সিটিতে পড়ার সুযোগ

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের একটি ইউনিভার্সিটি অভাবনীয় এক সুযোগ দিচ্ছে শিক্ষার্থীদের। জানা গেছে, এই ইউনিভার্সিটি ২৩ হাজার ডলার শিক্ষাবৃত্তি ঘোষণা করেছে স্রেফ টুইট করার জন্য। ইউনিভার্সিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সেরা টুইট নির্বাচিত হলেই মিলবে ইউনিভার্সিটিতে পড়ার সুযোগ। খবর টেলিগ্রাফ অনলাইন-এর।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অফ আইওয়া-এ অফারটি দিয়েছে। এ ইউনিভার্সিটির এমবিএ কোর্সে পড়ার জন্য আবেদনকারীকে টুইট পরীক্ষা দিতে হবে।

জানা গেছে, আবেদনকারীকে টুইটারে ১৪০ অক্ষরের মধ্যেই ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নের জবাব দিতে হবে। প্রশ্নের সঠিক উত্তর লেখা এবং সে উত্তরটিতে সবচেয়ে বেশি নম্বর পেলেই মিলে যাবে ইউনিভার্সিটিতে এমবিএ পড়ার সুযোগটি। আর এর জন্য স্রেফ একটি টুইট করতে হবে।

ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আবেদনকারীর মাইক্রোব্লগিংসহ সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং জ্ঞানের পরীক্ষা নেয়া হবে। ১৪০ অক্ষরের উত্তরেই তাদের নির্বাচিত করা হবে। অবশ্য, আবেদনকারী চাইলে টুইটের সঙ্গে নিজের ওয়েবসাইটের লিংকও দিতে পারবে।

উল্লেখ্য, ইউনিভার্সিটি অফ আইওয়াতে এমবিএ ভর্তির জন্য আগে ৮০০ শব্দের একটি রচনা লিখতে হতো। 

এ প্রসঙ্গে ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রচনা লেখার বিষয়টি ঘাঁটলে দেখা যাচ্ছে সব রচনাই একই ধাঁচের হয়ে যাচ্ছে এবং সেখানে সৃষ্টিশীল কিছুই থাকছে না। তাই নতুন উদ্ভাবনী এ পদ্ধতি চালু করা হলো।

এদিকে আবেদনকারী কিনজি ডেকেনজা জানিয়েছেন, ‘আদতে সহজ মনে হলেও এ পরীক্ষা পদ্ধতি মোটেও সহজ নয়। আমি টুইট করতে বসে কখনই বেঁধে দেয়া অক্ষরসীমার মধ্যে আটকে থাকতে পারছি না। অল্প শব্দে কোনো কিছু বলা বেশ কঠিন।’



বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

Wednesday, July 13, 2011

রোগ-জীবাণু গবেষণায় টুইটার

সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটগুলো এখন কেবল সামাজিকতা রক্ষার কাজেই অবদান রাখছে না। ভার্চুয়াল এই জগৎ থেকে গবেষকেরা পাচ্ছেন গবেষণার নানা রসদ। এর সাম্প্রতিক নমুনা পাওয়া গেল জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের দুজন কম্পিউটারবিজ্ঞানীর কাজে। মার্ক ড্রেডজে ও মাইকেল জে পল—এই দুই বিজ্ঞানী জানালেন, টুইটারের দেওয়া বার্তা (টুইট) থেকে তাঁরা পেয়েছেন জনস্বাস্থ্য-সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
মার্ক ও পল বিশেষ এক সফটওয়্যার তৈরি করেছেন। যেটা জনস্বাস্থ্যের বিশেষ লক্ষণীয় কিছু দিকের ওপর দৃষ্টি আকর্ষণ করবে। জন হপকিন্সের এই দুই তরুণ বিজ্ঞানী প্রথমেই গবেষণা চালিয়েছেন টুইটারে। পাঁচ বছর হলো এই খুদে ব্লগসাইটটি আত্মপ্রকাশ করেছে। 
এ পর্যন্ত এই সাইটটিতে করা টুইটের মধ্যে মার্ক ও পল গবেষণা চালিয়েছেন ২০ লাখ টুইটের ওপর। সেই টুইটগুলোয় তাঁদের সফটওয়্যারটি কাজে লাগিয়ে তাঁরা দেখেছেন, সেখানকার ১৫ লাখ টুইটই স্বাস্থ্যসম্পর্কিত। এসবে রোগ-বালাইয়ের কথাই লেখা হয়েছে। 
অসুখ-বিসুখের মধ্যে ছিল ক্যানসার থেকে শুরু করে ইনসমনিয়ার নাম। এ ছাড়া টুইটগুলোয় ছিল মামুলি জ্বরজারি কিংবা হাঁচি-কাশির কথাও। মার্ক ও পল টুইটগুলো বাছাই করার পর বের করেছেন কোন এলাকায়, কীভাবে এবং কেন রোগগুলো ছড়াচ্ছে। এতে বেরিয়ে এসেছে রোগের প্রাদুর্ভাব ও কারণের ইতিহাস।
গবেষণার প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হতে হয়েছে মার্ক ও পলকে। তার পরও তাঁরা চেষ্টা করেছেন কিছু সাধারণ রোগ-ব্যাধি যেমন ফ্লু, অ্যালার্জি নিয়ে গবেষণা করতে। দেখা গেছে, একই এলাকা ও সময়ের টুইটার ব্যবহারকারীরা একই ধরনের রোগে আক্রান্ত হয়েছিল। তাই তাদের টুইটেও উঠে এসেছে একই রকম উপসর্গ ও সমস্যার কথা।
আসছে ১৮ জুলাই বার্সেলোনায় এক আন্তর্জাতিক সংবাদ সম্মেলনে নিজেদের এই গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করবেন মার্ক ও পল। —সিনেট অবলম্বনে মাহফুজ রহমান

Monday, July 11, 2011

টুইটারের জন্য ৪ টি লিংক

Twitter1116
মাইক্রোব্লগিং কমিউনিটি টুইটার বর্তমান বিশ্বের অন্যতম দ্রুত যোগাযোগ মাধ্যম। কিছু কিছু পরিসংখ্যানের হিসেবে, জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে ফেসবুকের পরেই এর স্থান। শুধু প্রযুক্তির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরাই নন, বরং সর্বস্তরের মানুষের মধ্যেই টুইটারের প্রতি অন্যরকম একটি ঝোঁক রয়েছে। শুরুর দিকে টুইটার ব্যবহার করা হতো ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত আপডেট বন্ধু-বান্ধব ও অন্যান্য অনুসারীদের (টুইটারের ভাষায় ফলোয়ার) জানানোর জন্য। তবে ধীরে ধীরে এই ট্রেন্ডের পরিবর্তন ঘটতে থাকে। টুইটার নিজেও ‘আপনি কী করছেন’ প্রশ্নটি বদলে ফেলে সেখানে লেখে ‘এখন কী ঘটছে’। অর্থাৎ, সংবাদ সবার আগে ছড়ানোর জন্যও অন্যতম একটি প্লাটফর্ম হচ্ছে টুইটার।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ব্যক্তিগত আপডেট জানানোর জন্য টুইটার ব্যবহার করা হলেও দেখা গেছে যে, ২০০৮ সাল থেকে অধিকাংশ ব্রেকিং নিউজগুলো প্রথম প্রকাশিত হয়েছে কোনো না কোনো টুইটার একাউন্ট থেকেই। মানুষ ঘটনাস্থলে থাকা অবস্থাতেই টুইটারের মাধ্যমে সবাইকে তা জানিয়ে দিতে শুরু করে। ঠিক এভাবেই টুইটারের জনপ্রিয়তার পাল্লা ভারী হতে থাকে। দিনে দিনে টুইটার এখন এমন একটি পর্যায়ে চলে এসেছে যে, বড় বড় প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে প্রায় প্রতিটি ওয়েবসাইট, সংগঠন, এমনকি হাই-প্রোফাইল ব্যক্তিত্ব যেমন সেলিব্রেটি, প্রযুক্তিবিদ প্রায় সবাইই টুইটার ব্যবহার করা শুরু করেছেন। সফটওয়্যার জায়ান্ট মাইক্রোসফটের প্রধান বিল গেটসও সম্প্রতি যোগ দিয়েছেন টুইটারে। এছাড়া গুগলের প্রতিটি সেবার জন্য আলাদা আলাদা টুইটার একাউন্ট রয়েছে।
তুমুল জনপ্রিয় এই টুইটারকে সমৃদ্ধ করতে তৈরি হয়েছে প্রচুর থার্ড-পার্টি অ্যাপ্লিকেশন যেগুলো আপনার টুইটার ব্যবহারকে করে তুলবে আরো দ্রুত, সহজ ও সমৃদ্ধ। তেমনই কিছু অ্যাপ্লিকেশনের কথা জানানো হচ্ছে।

টুইটলেটার

আপনি যদি ব্যস্ততার জন্য টুইটারে নিয়মিত ঢুকতে না পারেন, তাহলে টুইটলেটার আপনার জন্যই। টুইটলেটার টুইটারে আপনার অধিকাংশ কার্যক্রমকেই স্বয়ংক্রিয় করে দেবে। অর্থাৎ, আপনি আগে থেকেই টুইটলেটারকে জানিয়ে রাখতে পারবেন কী করতে হবে। টুইটলেটার আপনার হয়ে সেসব কাজ করে দেবে।
টুইটলেটার যেসব সুবিধাগুলো দিয়ে থাকে তার মধ্যে অন্যতম হলো শিডিউল টুইট। এর মাধ্যমে আপনি একটি টুইট লিখে তা ভবিষ্যতে অর্থাৎ কবে এবং কখন প্রকাশিত হবে তা নির্ধারণ করে দিতে পারেন। এর ফলে, আপনি যদি যথাসময়ে টুইটারে ঢুকতে না পারেন অথবা ভুলেই যান, টুইটলেটার আপনার হয়ে কাজটি করে দেবে।
এছাড়াও টুইটলেটারের মাধ্যমে যখনই কেউ আপনাকে ফলো করতে শুরু করবেন, আপনি তাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফলো করতে পারবেন। নিজে বারবার ফলো করা শুরু করতে হবে না। পাশাপাশি নতুন ফলোয়ারদের স্বাগতম জানিয়ে ডাইরেক্ট মেসেজ (ডিএম) স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাঠানোর ব্যবস্থাও রয়েছে টুইটলেটারের। শুধু তাই নয়, কেউ যদি আপনাকে ফলো করা বন্ধ করে দেয়, টুইটলেটারের মাধ্যমে আপনিও স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাকে ফলো করা বন্ধ করতে পারবেন।
তবে সেবাটি ব্যবহার করতে আপনার টুইটার একাউন্টের প্রবেশাধিকার দিতে হবে টুইটলেটারকে। বিস্তারিত জানতে এবং সেবাটি উপভোগ করতে ভিজিট করুন টুইটলেটার : http://www.tweetlater.com ।

স্পন্সর্ড টুইটস

প্রচুর সংখ্যক হিউম্যান ফলোয়ার পেলে টুইটার থেকে দু’চার পয়সা আয় করাও সম্ভব। অনেকেই টুইটার থেকে প্রতিমাসে কিছু পরিমাণ টাকা আয় করে নিচ্ছেন। এর জন্য আপনাকে ব্যবহার করতে হবে তৃতীয়পক্ষের অ্যাপ্লিকেশন।
স্পন্সর্ড টুইটস তেমনই একটি অ্যাপ্লিকেশন। এর মাধ্যমে আপনি আপনার টুইটার একাউন্টের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের অনুমতি দিতে পারেন। এরপর স্পন্সর্ড টুইটস আপনার একাউন্ট তাদের ডাটাবেজে সংরক্ষণ করে রাখবে। বিভিন্ন বিজ্ঞাপনদাতারা আপনার একাউন্ট ও এ সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য দেখতে পাবেন। যদি তাদের পছন্দ হয়, তাহলে আপনি তাদের কাছ থেকে অফার পাবেন। অফার গ্রহণ করলে আপনার একাউন্ট থেকে তাদের বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা হবে এবং বিনিময়ে আপনি টাকা পাবেন।
উল্লেখ্য, টাকা দেয়ার স্কিম বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। কেউ কেউ আপনাকে প্রকাশ করার জন্যই টাকা দেবে। কেউ আবার প্রতি কিকের বিনিময়ে টাকা দিয়ে থাকে। তবে স্পন্সর্ড টুইটসের সুবিধা হলো এই যে, এটি আপনাকে একটি ফ্যাট রেট নির্ধারণের সুযোগ দেবে যার ফলে আপনি বিজ্ঞাপন প্রকাশ হলেই টাকা পাবেন। তবে কয়েক হাজার ফলোয়ার না থাকলে এই রেট এক ডলারের বেশি রাখা ঠিক নয়।
সেবাটি ব্যবহার করতে আপনার টুইটার একাউন্টের প্রবেশাধিকার দিতে হবে স্পন্সর্ড টুইটসকে। এছাড়াও প্রতিবার লগইন করার সময় টুইটারের ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ডই ব্যবহার করতে হবে। ঠিকানা: http://www.sponsoredtweets.com ।

ফার্স্ট ফলোয়ার

কয়েকশ’ বা কয়েক হাজারেরও বেশি ফলোয়ার পেলে আপনার হয়তো জানতে ইচ্ছে হতে পারে টুইটারে আপনাকে সর্বপ্রথম কে ফলো করতে শুরু করেছিলেন। ফার্স্ট ফলোয়ার আপনার হয়ে সেই কাজটি করে দেবে। ফার্স্ট ফলোয়ারের ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনার টুইটার ইউজারনেম লিখে এন্টার প্রেস করলেই আপনি দেখতে পাবেন আপনার প্রথম ফলোয়ারের নাম। 
উল্লেখ্য, এই পদ্ধতিতে আপনি যে কোনো টুইটার একাউন্টের প্রথম ফলোয়ার কে তা জানতে পারবেন। ফার্স্ট ফলোয়ার ওয়েবসাইটের ঠিকানাঃ http://www.firstfollower.com

আনফলো অল

টুইটার ব্যবহারের সময় আপনি হয়তো লক্ষ্য করবেন যে, অনেক ফলোয়ারই বট। অর্থাৎ, কোনো মানুষ নয়, বরং কম্পিউটারাইজড একাউন্ট যেখান থেকে সবসময় বিভিন্ন সাইটের লিংক আপডেট করা হয়। এভাবে হয়তো একসময় আপনার ফলোয়ারদের সিংহভাগই এসব বট হতে পারে। তখন আপনি হয়তো আলাদাভাবে প্রতিটি একাউন্টকে আনফলো (অনুসরণ বন্ধ করা) করতে পারবেন না।
সেই মুহুর্তেই কাজে আসবে আনফলো অল। সবগুলো বট আপনার একাউন্ট থেকে মুছে ফেলতে অথবা অন্য কোনো কারণে ‘শুরু থেকে শুরু করতে’ আপনি সবাইকে ফলো করা বন্ধ করতে পারেন। এর জন্য আনফলো অল সাইটে গিয়ে আপনার টুইটার ব্যবহারকারী নাম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে আনফলো অল বাটনে কিক করুন।
তবে কাজটি করার আগে সতর্ক থাকুন। কেননা, একবার সবাইকে আনফলো করলে তা পুনরায় ফলো করা যাবে না। আনফলো অল সাইটের ঠিকানাঃ http://www.unfollowall.com ।

এগুলো ছাড়াও আরো অনেক টুইটার তৃতীয়পক্ষ অ্যাপ্লিকেশন রয়েছে যেগুলো ব্যবহার করে আপনি আপনার টুইটার ব্যবহারে নতুন অভিজ্ঞতা নিতে পারেন। তবে, বিশ্বস্ত নয় এমন কোনো অ্যাপ্লিকেশনকে আপনার একাউন্টে প্রবেশাধিকার দেয়া থেকে বিরত থাকুন। অন্যথায় আপনার একাউন্ট থেকে আজেবাজে স্ট্যাটাস আপডেট করে বসতে পারে সেসব অ্যাপ্লিকেশন।



বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম/সজীব/এইচবি/এইচআর