This is default featured post 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

Showing posts with label রহস্যময়. Show all posts
Showing posts with label রহস্যময়. Show all posts

Saturday, July 2, 2011

অটোপেনে ওবামার সই!


হোয়াইট হাউসে কোন দুটি বিষয় সবচেয়ে সুরক্ষিত? উত্তর—এক. বারাক ওবামা, দুই. বারাক ওবামার অটোপেন! 
অটোপেনের সুরক্ষার দরকারটা কী? আর কিইবা এই অটোপেন? সহজ করে বললে, বারাক ওবামা কিংবা যে কারও সই দিয়ে দিতে পারে এমন এক যন্ত্রের নাম অটোপেন। এক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি সরকারই অটোপেন অনুরাগী হিসেবে পরিচয় দিয়েছে। জর্জ বুশ থেকে বারাক ওবামা, নিজ হাতে সই করার চেয়ে অটোপেনেই আস্থা রেখেছেন বেশি। কদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন এক ইতিহাসও লিখে ফেলেছে এই অটোপেন নামক যন্ত্রটি! দেশটির নতুন সংযোজিত এক আইনে বারাক ওবামার সম্মতিসূচক সই দিয়ে। এ নিয়ে হট্টগোলও হয়ে গেছে একচোট।
রিপাবলিকানরা দাবি করেছিল, ওবামার অটোপেনের ব্যবহার এই দেশের শাসনতন্ত্র লঙ্ঘন করছে। ওবামা সরকার অবশ্য তা থোড়াই কেয়ার করেছে। যুক্তি দেখিয়েছে বুশ সরকারও এমনটা করেছে এর আগে।
এরি ফ্লেশচার, ছোট বুশের আমলে ছিলেন হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি। তিনি জানালেন, ‘বুশের আমলে ছোটখাটো আইন প্রণয়নের খসড়ায় প্রেসিডেন্টের সই অটোপেন দিয়ে করা হতো। তবে শেষের দিকে বুশ সব সই নিজ হাতেই করতেন।’
বিল ক্লিনটনের সময় প্রেসিডেন্সিয়াল লেটারস অ্যান্ড মেসেজেস বিভাগের পরিচালক ছিলেন জ্যাক শক। তিনি বললেন, অটোপেনের প্রয়োজনীয়তার কথা, ‘মনে রাখতে হবে, প্রেসিডেন্টের কাছে প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ হাজার চিঠি আসে। তো তাদের সবাইকে খুশি করতে হলে অটোপেনের বিকল্প নেই।’ 
হোয়াইট হাউস অটোপেন নিয়ে মুখ না খোলায় সাংবাদিকেরা হানা দিয়েছিলেন হোয়াইট হাউসে অটোপেনের জোগানদাতা এক প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার বব ওল্ডিংয়ের দরবারে। হতাশ করেছেন তিনিও। তবে মজার আরেকটি তথ্য দিয়েছেন বব, ‘নতুন প্রেসিডেন্ট এলে নতুন নতুন অটোপেন, কড়কড়ে ডলার!’ ববের একেকটি অটোপেনের দাম দুই থেকে ১০ হাজার ডলার। 
পুরোনো অটোপেনগুলো দেখতে ছিল ঢাউস আকারের ড্রাফটিং টেবিলের মতো। তবে হাল জমানারগুলো বেশ স্মার্ট। এতে থাকে মাইক্রোপ্রসেসর এবং ডিজিটাল নিয়ন্ত্রণ-ব্যবস্থা। তবে পুরোনো ও নতুনগুলোর মধ্যে একটাই মিল, এই যন্ত্রগুলোতে দুটি কারিগরি অংশ বিদ্যমান। একটি অংশ সামনে-পেছনে সঞ্চারমান, আরেকটি ওপরে-নিচে। গতি কেমন এই যন্ত্রগুলোর? ঘণ্টায় শ-পাঁচেক সই দিতে পারে একেকটা অটোমেটিক অটোপেন। আর ম্যানুয়ালগুলো পারে ঘণ্টায় ২০০টির মতো। 
হোয়াইট হাউসে অটোপেনের ইতিহাস বেশ পুরোনো। যুক্তরাষ্ট্রের ৩৪তম প্রেসিডেন্ট ডিউইট আইজেনহাওয়ারের আমল থেকে এই যন্ত্রের চল শুরু। 
তবে ঘুরেফিরে একটা প্রসঙ্গই আসে, অটোপেন দিয়ে না হয় একটা ছবি কিংবা চিঠিতে সই দেওয়া যায়। তাই বলে আইন প্রণয়নের মতো ব্যাপারে এর ব্যবহার কতটা গ্রহণযোগ্য?
এপি অবলম্বনে
প্রথম আলো...