This is default featured post 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

Showing posts with label Computer. Show all posts
Showing posts with label Computer. Show all posts

Monday, November 14, 2011

কোয়াড কোরের ট্যাবলেট আনছে আসুস

এনভিডিয়ার তৈরি টেগ্রা তিন গ্রাফিক্স চিপসেট এবার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসগুলোতেও চলে আসছে। কোয়াড কোর গ্রুপের এই মোবাইল চিপসেটটি আসুস এবার তাদের ডিভাইসে যোগ করবে বলেও জানিয়েছে। আসুসের ট্রিপল-ই প্যাড ট্রান্সফর্মারে যোগ হবে এ কোয়াড কোরের প্রসেসরটি। খবর সিনেট-এর।

এ বছরের ডিসেম্বরে এনভিডিয়ার টেগ্রা ৩ চিপসেটযুক্ত ট্রান্সফর্মার ট্যাবলেটটি বাজারে পাওয়া যাবে। ৩২ গিগাবাইট স্টোরেজ সুবিধার এ ট্যাবলেটটির দাম পড়বে ৪৯৯ ডলার। পাতলা এ ডিভাইসটির ওজন হবে ১.২৯ পাউন্ড। ৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা এবং ১২ ঘন্টার ব্যাটারি ব্যাকআপ সমৃদ্ধ ডিভাইসটি চলবে আইসক্রিম স্যান্ডউইচ সিস্টেমে।

এদিকে তাইওয়ানের জায়ান্ট এইচটিসি কোয়াড কোরের স্মার্টফোন আনছে বলেও সম্প্রতি খবর রটেছে। কোয়াড কোরের এ স্মার্টফোনটির নাম হতে পারে ‘এজ’। এ ছাড়াও বার্নস অ্যান্ড নুকের ‘নুক’ ট্যাবলেটেও কোয়াড কোরের এ প্রসেসরটি ব্যবহৃত হবে বলেই গুজব রটেছে।

কোয়াড কোর অর্থ হচ্ছে চার কোর বিশিষ্ট প্রসেসর। এনভিডিয়া টেগ্রা ৩ প্রসেসরের ক্ষমতা ১.৫ গিগাহার্টজ।




বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

Wednesday, November 2, 2011

ম্যাকবুকে আসছে নতুন মডেল

টেক জায়ান্ট অ্যাপল ম্যাকবুকের মতোই নতুন আরেকটি মডেলের ল্যাপটপ তৈরি করছে বলেই খবর রটেছে। নতুন ডিভাইসটি ম্যাকবুক এয়ারের মতোই পাতলা হবে, তবে এর মাপ হবে এয়ারের চেয়ে বেশি। খবর সিনেট-এর।

নতুন মডেলের  ডিভাইসগুলো হতে পারে ১৫ ইঞ্চি এবং ১৭ ইঞ্চি মাপের। নতুন ডিভাইসগুলোতে স্যান্ডিব্রিজ প্রসেসরের বদলে উন্নত আইভিব্রিজ প্রসেসর ব্যবহৃত হতে পারে।

বর্তমানে বাজারে থাকা অ্যাপলের ম্যাকবুক সিরিজে পাতলা ম্যাকবুক এয়ারের সর্বোচ্চ মাপ ১৩ ইঞ্চি। কিন্তু জাপানী প্রযুক্তিসাইট ম্যাকোতাকারা’র তথ্য মতে, অ্যাপল এবারে পাতলা মডেলের ডিভাইসগুলোর মাপ আরো বড়ো করছে।

অবশ্য ডিভাইসগুলো বিষয়ে অ্যাপল কর্তৃপক্ষ মুখ খোলেনি।
এদিকে নতুন মডেলের ডিভাইসটি ম্যাকবুক এয়ার নাকি ম্যাকবুক প্রো সিরিজে যুক্ত হবে সে বিষয়ক কোনো তথ্যও ফাঁস হয়নি।




বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

Thursday, October 27, 2011

নিজেকে বদলে নেবে কম্পিউটার !

হ-বাংলা নিউজ : লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে : কম্পিউটার ব্যবহারের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে যন্ত্রটির আধুনিকায়ন। যতই দিন যাচ্ছে, ততই এর আকার ছোট হয়ে আসছে। এতে এর ব্যবহার-উপযোগিতা বাড়ছে। এবার গবেষকরা ভাবছেন শুধু ছোট করে আনা নয়, যন্ত্রটিকে এমন ক্ষমতা দেওয়া যেন এটি বিভিন্ন কাজের জন্য নিজেই নিজেকে পরিবর্তন করে নিতে পারে। আর এ কাজে বেশ অগ্রগতিও হয়েছে বলে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন।

নেচার ন্যানোটেকনোলজি নামের সাময়িকীতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গবেষকরা নতুন এক ধরনের পদার্থ তৈরি করেছেন। এটি এখনকার সিলিকন-ভিত্তিক চিপগুলোর বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব। আর নতুন এ পদার্থটি দিয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী চিপ তৈরি করা যাবে। যুক্তরাষ্ট্রের নর্থওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির গবেষক ডেভিড ওয়াকার ও বার্টোজ গ্রিজবোস্কি জানিয়েছেন, শুধু ছোট আকারের দিকে যাওয়ার পরিবর্তে তাঁরা কম্পিউটারের নির্মাণের ধরনেই পরিবর্তন আনার ব্যাপারে বেশি আগ্রহী ছিলেন। আর কাজটি করতে গিয়ে তাঁরা কম্পিউটারের যাবতীয় যন্ত্রাংশকে একটি মূল উপাদানের মধ্যে সনি্নবিষ্ট করে নেওয়ার কথা ভাবেন। ব্যাপারটি অনেকটা সুইস দেশীয় আর্মির ছুরির মতো বলে গবেষকরা জানিয়েছেন। অনেক ধরনের ছুরি এবং এ-জাতীয় উপাদান যেমন একটি খোসার মধ্যে থাকে, তেমনি কম্পিউটারের সব যন্ত্রাংশও এমনি একটি যন্ত্রের মধ্যে পোরা থাকবে। এতে এমনিই এর আকার ছোট হয়ে আসবে। ওই মূল যন্ত্রটি তৈরি করা হবে নতুন উপাদানটি দিয়ে। এটি অনেক বৈদ্যুতিক চার্জ ধারণ করবে।


গবেষকরা জানিয়েছেন, নতুন উপাদানটির মধ্যে থাকা অসংখ্য অজস্র ঋণাত্মক ও ধনাত্মক বৈদ্যুতিক চার্জ বিভিন্ন দিকে প্রবাহিত ও প্রয়োজনে বাধাগ্রস্ত করা যাবে। উপাদানটি নিজেই এ কাজটি করতে পারবে। ফলে বিভিন্ন ধরনের কাজের প্রয়োজনে কম্পিউটারটি নিজেকে ওই কাজের উপযোগী করে বদলে নিতে পারবে নিজে থেকেই। বৈদ্যুতিক চার্জ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে কম্পিউটারটি এভাবে নিজেই নিজেকে বিভিন্ন ধরনের কাজের উপযোগী করে বদলে নেওয়ার ক্ষমতা অর্জন করতে পারবে।


গবেষকরা বলছেন, এ প্রযুক্তি অদূর ভবিষ্যতে বেশ কার্যকর হিসেবে প্রমাণিত হবে। এ ছাড়া ক্রমেই এর আকার আরো ছোট করে আনাও সম্ভব হবে। এরই মধ্যে এ কাজে যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে। খুব শিগগির এর বাস্তব প্রয়োগ শুরু করা সম্ভব হবে। সূত্র : বিবিসি নিউজ অনলাইন।

Wednesday, October 12, 2011

তৈরি হচ্ছে সৌরশক্তিচালিত 'আইস্লেট'

ভারতীয় উপমহাদেশে বিদ্যুৎ সমস্যার কথা ভেবে রাইস ইউনিভার্সিটির গবেষকরা একটি স্লেট বা ট্যাবলেট কম্পিউটার তৈরির পরিকল্পনা করেছেন যা সৌরশক্তিতেই চলবে। খবর হাফিংটন পোস্ট-এর।

যুক্তরাষ্ট্র এবং সিংগাপুরের গবেষকরা মিলে ‘আইস্লেট’ তৈরির পরিকল্পনা করেছেন যাতে গণিত, বিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞানের মতো বিষয়গুলোর পাঠ্য আগে থেকেই সেট করা থাকবে।

জানা গেছে, আইস্লেট তৈরির কাজে প্রাথমিকভাবে সাফল্যও পেয়েছেন গবেষকরা। সুইজারল্যান্ড, সিংগাপুর এবং যুক্তরাষ্ট্রের ডেভেলপাররা কম শক্তিতে চলে এমন চিপ তৈরি করে ফেলেছেন যা আইস্লেটে ব্যবহৃত হবে। নতুন চিপযুক্ত এ ডিভাইস ২০১২ সাল নাগাদ বাণিজ্যিকভাবে তৈরি করা শুরু হতে পারে।

গবেষকরা জানিয়েছেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষার্থীদের গাণিতিক দক্ষতা বাড়াতে আইস্লেট কাজে আসবে। এ ডিভাইসটিতে গাণিতিক সমস্যা লিখে সেটি সমাধানের নির্দেশনা পাবে শিক্ষার্থী। যদি শিক্ষার্থী ভূল করে তবে গাণিতিক সমস্যা সমাধানে ভুল শোধরানোর টিপস জানিয়ে দেবে আইস্লেট।



বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

Sunday, October 2, 2011

সবচেয়ে পাতলা ল্যাপটপ আনছে ডেল

কম্পিউটার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ডেল কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি হালকা-পাতলা মডেলের একটি নোটবুক তৈরির পরিকল্পনা করেছে। ডেল কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি নতুন সংস্করণের এ নোটবুকটি হবে বিশ্বের সবচেয়ে পাতলা ল্যাপটপ। খবর ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর।

নতুন এ ল্যাপটপটির কোডনেম হবে এক্সপিএস ১৪ জেড। এ ডিভাইসটি বর্তমানে বাজারে থাকা ডেলের ১৫ ইঞ্চি মডেলের ল্যাপটপটির মতোই হবে। ডিভাইসটি হবে মাত্র ১ ইঞ্চির চেয়েও কম পুরুত্বের। এটি ৭ ঘন্টা ব্যাটারি ব্যাক-আপ দেবে।

এদিকে অ্যাপলের তৈরি ম্যাকবুক প্রো’র সঙ্গে ডেলের নতুন এ ডিভাইসটির মিল থাকবে বলেও খবর রটেছে।

এ খবরের প্রেক্ষিতে ডেল কর্তৃপক্ষ বলেছে, ‘অ্যাপলের মতো হওয়ার কোনো ইচ্ছাই আমাদের নেই। অ্যাপলের ‘আল্ট্রাবুক’ ডিভাইসটির মতো ডিভাইস বানাতে আমরা চাই না। আমাদের ডিভাইসটি হবে আরো আরো বেশি ফিচারযুক্ত এবং বিশ্বের সবচেয়ে পাতলা ল্যাপটপ।’

ডেলের তৈরি এ ডিভাইসটির দাম কতো হবে এখনো সে পরিকল্পনা প্রকাশ না পেলেও জানা গেছে, প্রায় হাজার ডলারের কাছাকাছি হতে পারে অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি সবচেয়ে পাতলা ল্যাপটপটির।



বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

Tuesday, August 9, 2011

এইচপি আনছে অল ইন ওয়ান টাচস্মার্ট পিসি

ইলেকট্রনিক জায়ান্ট জায়ান্ট হিউলেট-প্যাকার্ড (এইচপি) তাদের অল ইন ওয়ান কম্পিউটার তালিকায় নতুন একটি মডেল যোগ করছে। ‘এক কম্পিউটারের মধ্যেই সবকিছু’ এমন ধারণা থেকেই এইচপি তৈরি করেছে এইচপি টাচস্মার্ট ৬১০ মডেলটি। খবর টাইমস অফ ইন্ডিয়া-এর।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, নতুন মডেলের কম্পিউটারটি মাল্টিটাচ এবং এর ২৩ ইঞ্চি এইচডি ডিসপ্লে ৩০ ডিগ্রি পর্যন্ত বাঁকানো যায়। এ ছাড়াও হোম নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে তার ছাড়াই নোটবুকে সংযোগ দেয়া যায়।

জানা গেছে, এইচপি টাচস্মার্ট ৬১০ কম্পিউটারটিতে আগে থেকেই ফেসবুক, টুইটার, এইচপি রেসিপি বক্স, ওয়েবক্যাম, মিউজিকের মতো অ্যাপ্লিকেশন দেয়া আছে। এতে রয়েছে, এইচপি এবং বিট টেকনোলজির উদ্ভাবন কার বিটস প্রযুক্তি। এটি শিল্পী যেভাবে কোনো গান গেয়েছেন সেটিই শোনাতে পারে।
এইচপি কর্তৃপক্ষ, নতুন মডেলের এই কম্পিউটার বিষয়ে বলছে, এটি সব বয়সের মানুষের কম্পিউটিং চাহিদা মেটাতে পারবে।


বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

Tuesday, August 2, 2011

বিয়ে পড়ালো কম্পিউটার

যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনের বাসিন্দা মিগুয়েল হ্যানসন এবং ডায়ানা ওয়েসলির বিয়ে পড়িয়েছে একটি কম্পিউটার। দুজন বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেবার পর চার্চে যাজকের কাছে না গিয়ে বসে পড়েন কম্পিউটারের সামনে। কম্পিউটারটি যাজকের ভূমিকায় এ জুটিকে বিয়ের নির্দেশনা দেয়। ত্রিশ জন অতিথির সামনে তারা বলেন ‘আই ডু’। খবর সিনেট-এর।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, বর মিগুয়েল হ্যানসন একজন ওয়েব ডেভেলপার এবং আইটি কনসালটেন্ট। সম্প্রতি তিনি বিয়ে পড়াতে যে আচার পালন করতে হয় সেগুলো মিলিয়ে একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম তৈরি করেছেন। আর কম্পিউটারে সে প্রোগ্রামটি চালু করে নিজেই প্রথম বিয়েটা সেরে নিলেন।

জানা গেছে, হ্যানসন-এর তৈরি করা এ প্রোগ্রামটির নাম Rev.Bit

সংবাদমাধ্যমটি আরো জানিয়েছে, বিয়ের সময় হ্যানসনের বাবা-মা সহ ৩০ জন অতিথি উপস্থিত ছিলেন। এরকম বিয়েতে সরকারি কোনো বাধা না থাকলেও এ দম্পতিকে নাম রেজিস্ট্রির বিষয়টি কিন্তু অবশ্যই পালন করতে হবে।





বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটক

Thursday, July 28, 2011

ডিভিডিকে বিদায় জানালো অ্যাপল

টেক জায়ান্ট অ্যাপলের ম্যাক মিনি কম্পিউটার থেকে ডিভিডি ব্যবহারের অপশনটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ম্যাক মিনি থেকে ডিভিডি সরিয়ে ফেলায় কম্পিউটারে অপটিক্যাল ড্রাইভের যুগ শেষ হয়ে গেলো, আর ডিভিডির কফিনে শেষ পেরেকটি ঠোকা হলো। খবর টেলিগ্রাফ অনলাইন-এর।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, অ্যাপল সম্প্রতি তাদের কম্পিউটারের নতুন সংস্করণ এনেছে। ম্যাক বুক এয়ার এবং ম্যাক মিনিতে নতুন করে যোগ হয়েছে উন্নত প্রসেসর এবং থান্ডারবোল্ট পোর্ট। কিন্তু সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনটি এসেছে ডিভিডি প্ল্যাটফর্ম ছেড়ে দেওয়ায়।

জানা গেছে, এবারই প্রথম অ্যাপল তাদের অপারেটিং সিস্টেম ম্যাক ও এক্স লায়ন ইউএসবিতে ব্যবহারের জন্য দিয়েছে। পাশাপাশি এটি অ্যাপলের অ্যাপ স্টোর থেকে ডাউনলোড করে নেয়া যাবে। এবারই প্রথম ডিভিডি ফরম্যাটে অপারেটিং সিস্টেম বিক্রি বন্ধ করলো প্রতিষ্ঠানটি।

সংবাদমাধ্যমটি আরো জানিয়েছে, অ্যাপলের তৈরি ম্যাকবুক এয়ার এবং ম্যাক মিনিতে অপটিক্যাল ড্রাইভ সুবিধা না থাকায় ডিভিডি বা সিডি ব্যবহার করা যাবে না। তবে, এগুলো ব্যবহার করতে চাইলে আলাদাভাবে ৬৬ পাউন্ড খরচ করে সুপার ড্রাইভ সেট করে নিতে হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো প্ল্যাটফর্ম ছেড়ে দেবার বিষয়ে অ্যাপল বরাবরই পথপ্রদর্শক। ১৯৯৮ সালে অ্যাপলই প্রথম তাদের ডিভাইসে ফ্লপি ডিস্ক ব্যবহার বন্ধ করেছিলো।

এদিকে জানা গেছে, ডিভিডি প্ল্যাটফর্ম এতো তাড়াতাড়ি ছেড়ে দেবার কারণে সমালোচনায় পড়েছে অ্যাপল।




বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

Monday, July 25, 2011

কম্পিউটারের গতি বাড়াতে

সমকাল ডেস্ক
বিজ্ঞানীদের নিরলস প্রচেষ্টা এবং গবেষণালব্ধ জ্ঞান মানব সভ্যতাকে উন্নতির উচ্চ শিখরে পেঁৗছে দিয়েছে। মানুষ তার সসীম গণ্ডিকে ছাড়িয়ে অসীমের দিকে ধাবমান। এই পথচলা থামেনি এখনও। আগামীতে কম্পিউটার, স্মার্ট ফোন বা যে কোনো ইলেকট্রনিক সামগ্রী আরও উন্নত করার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে কম্পিউটার এবং স্মার্ট ফোন আরও দ্রুততার সঙ্গে কাজ করতে পারে এমন বস্তু আবিষ্কৃত হয়েছে। আগে কম্পিউটার বা
স্মার্ট ফোনে ব্যবহৃত চিপস সিলিকন দিয়ে তৈরি হতো। এখন অত্যন্ত চিকন গ্রাফিন (এজঅচঐঊঘঊ) দিয়ে চিপস তৈরি হবে। এতে করে কম্পিউটার এবং স্মার্ট ফোনের কর্মক্ষমতা আরও দ্রুততর হবে। গ্রাফিন দুই স্তরের ফিল্ম কার্বন চিপস। অধ্যাপক কস্টেয়া নভোসেলভ ইন্ডিপেনডেন্ট সংবাদপত্রকে জানান, গ্রাফিনে ইলেকট্রন খুব দ্রুত কাজ করবে। ফলে স্মার্ট ফোন বা কম্পিউটারের গতি বহুগুণ বেড়ে যাবে।
অধ্যাপক নভোসেলভ এবং অধ্যাপক আন্দ্রে জেইম গত বছর পদার্থ বিজ্ঞানে 'গ্রাফিন' আবিষ্কারের জন্য নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। তারা প্রায় এক দশকের বেশি সময় ধরে এ নিয়ে গবেষণা করছেন। পৃথিবীব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পদার্থ বিজ্ঞানীরা এখন টাচস্ক্রিন কম্পিউটার নামে একটি ডিভাইস তৈরির প্রচেষ্টায় লিপ্ত। যা এক বৈপ্লবিক যুগের সূচনা করবে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা। দ্য মেইল অনলাইন।

Wednesday, July 20, 2011

ঘুম থেকে ডেকে দেবে কম্পিউটার

যদি এমন হয়, রাতে আপনি যখন ঘুমাবেন, তখন আপনার সঙ্গে আপনার কম্পিউটারটিও ঘুমিয়ে যাবে। সকালে কম্পিউটার ঘুম থেকে উঠবে, তারপর আপনাকে ডাকবে ওঠার জন্য।এমনটা হলো বেশ হয়।
এ ব্যবস্থা করতে হলে প্রথমে মাইক্রোফোনের সাহায্যে আপনি যে কথা বলতে চান, সেটি রেকর্ড করে সেভ করুন। তারপর ডেস্কটপে মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Properties-এ যান। এখন Screen saver/Power/Hibernate-এ গিয়ে Enable hibernation-এ টিক চিহ্ন দিয়ে OK করুন। আবার Power/Advanced-এ গিয়ে When I press the sleep-এ Hibernate নির্বাচন করে OK করে বেরিয়ে আসুন। যাঁদের কিবোর্ডে Sleep বোতাম নেই, তাঁরা When I press the Power বাটনে Hibernate নির্বাচন করে ‘ওকে’ দিয়ে বেরিয়ে আসুন। এখন Control panel/Scheduled tasks/Add scheduled task/Next/Browse-এ ক্লিক করে যেখানে ভয়েসটি সেভ করেছেন, সেখান থেকে কথা নির্বাচন করে (বিকল্প হিসেবে গানও নির্বাচন করতে পারেন) open/daily/next/start time-এ আপনার প্রয়োজনমতো সময় নির্বাচন করে next-এ ক্লিক করুন। আপনার কম্পিউটারে পাসওয়ার্ড থাকলে পাসওয়ার্ড দিয়ে next-এ ক্লিক করে open advanced-এ টিক চিহ্ন দিয়ে Finish-এ ক্লিক করুন। এখন Settings-এ গিয়ে wake the computer-এ টিক চিহ্ন দিয়ে ওকে করে বেরিয়ে আসুন।
এখন আপনি রাতে ঘুমানোর সময় কিবোর্ড থেকে Sleep বাটন চাপুন অথবা কম্পিউটারের পাওয়ার বাটন চাপুন। দেখবেন, কম্পিউটার ঘুমিয়ে পড়েছে এবং সকালে ঘুম থেকে উঠে আপনাকে ডাকছে। —মো. আমিনুর রহমান

Tuesday, July 12, 2011

সফটওয়্যার ছাড়া usb port লক ও আনলক

অনেকে অনেক কারনে ইউএসবি পোর্ট লক করে রাখতে চায়। তার জন্যে অনেক ধরনের  সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকেন কিন্তু সফটওয়্যার ছারা আপনার ইউএসবি পোর্ট লক এবং আনলক করতে পারেন।
Ubuntu USB lanyard সফটওয়্যার ছাড়া usb port লক ও আনলক
তাহলে সে জন্যে যা যা করতে হবে।
ডিসএবল করার নিয়ম:
১. Start মেনু থেকে Run এ ক্লিক করুন।
২. রান বক্সে regedit টাইপ করে OK করুন।
৩. এই ঠিকানায় প্রবেশ করুন:HKEY_LOCAL_MACHINE\SYSTEM\CurrentControlSet\Services\UsbStor
৪. রাইট প্যান থেকে Start এ ডাবল ক্লিক করুন।
৫. ভ্যালু ডাটা বক্সে 4 টাইপ করুন, Hexadecimal এ ক্লিক করুন (যদি এটা সিলেক্ট করা না থাকে), ওকে প্রেস করুন।
৬. কাজ শেষ Registry Editor ক্যানসেল করুন।
এনাবল করার নিয়ম:
১. Start মেনু থেকে Run এ ক্লিক করুন।
২. রান বক্সে regedit টাইপ করে OK করুন।
৩. এই ঠিকানায় প্রবেশ করুন:HKEY_LOCAL_MACHINE\SYSTEM\CurrentControlSet\Services\UsbStor
৪. রাইট প্যান থেকে Start এ ডাবল ক্লিক করুন।
৫. ভ্যালু ডাটা বক্সে 3 টাইপ করুন, Hexadecimal এ ক্লিক করুন (যদি এটা সিলেক্ট করা না থাকে), ওকে প্রেস করুন।
৬. কাজ শেষ Registry Editor ক্যানসেল করুন।
সবাই ভাল থাকবেন আর আমার কোন ভুল হলে ক্ষমা করবেন।


Read more: http://techtunes.com.bd/tips-and-tricks/tune-id/79678/#ixzz1Rtd0ogcr

Monday, July 11, 2011

বাংলা ব্লগের লিংক

ইন্টারনেট ডায়েরি লেখার ধারণা ‘ওয়েব লগ‘ থেকে ব্লগের ধারণার জন্ম। বিশ্বে প্রতিদিন বাড়ছে ব্লগের সংখ্যা। ব্লগে লেখার মাধ্যমে নিজের চিন্তা এবং লেখনীকে তুলে ধরা যায়। অনলাইনে লেখালেখির প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ধরা হয় ব্লগকে। ‘ব্লগ’ শব্দটি এসেছে ইংরেজি ‘ওয়েবলগ’ শব্দটি থেকে। 

‘ওয়েবলগ’ শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করা হয় ১৯৯৭ সালের ১৭ ডিসেম্বর। শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক জন বার্জার। এর ঠিক দু’বছর পর ১৯৯৯ সালের এপ্রিল এবং মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে পিটার মহোলজ নামে এক ব্যাক্তি ওয়েবলগ শব্দটিকে ভেঙ্গে দু’ভাগ করেন- ‘উই’ এবং ‘ব্লগ’ হিসেবে। এর পরই সারাবিশ্বব্যাপী ব্লগ জনপ্রিয় হতে শুরু করে। তবে মাঝামাঝি সময়ে আরেকটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটে। অনলাইনে দিনলিপি লেখার সুবিধা নিয়ে যাত্রা শুরু করে ‘ওপেন ডায়েরি’ যা ছিলো অনেকটা এখনকার ব্লগের মতোই।

সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম নিজস্বভাবেই ব্লগ নিয়ে এসেছে। ব্লগে এখন অনেক রথী-মহারথীরাও লিখছেন। ব্লগের মাধ্যমে সার্চ জায়ান্ট গুগল থেকে শুরু করে প্রযুক্তিবিশ্বের অনেক তথ্যই জানিয়ে দেয়া হয়। 

ব্যক্তিগত চিন্তা-চেতনার পাশে ব্লগ হয়ে ওঠছে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকাতেও। ইন্টারনেট সংযোগ এবং মনের ভাষা প্রকাশের ইচ্ছা থাকলেই ব্লগ লেখা যায়। ইংরেজি ব্লগের পাশাপাশি বাংলায়ও ব্লগ লেখা শুরু হয়েছে।

বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম সম্প্রতি একটি সিটিজেন জার্নালিজমভিত্তিক ব্লগ চালু করেছে। এই ব্লগের মাধ্যমেই সিটিজেন জার্নালিজমভিত্তিক বিভিন্ন ব্লগ লেখা যাবে। ব্লগটির ঠিকানা:blog.bdnews24.com

বাংলা ভাষায় বর্তমানে প্রচলিত ব্লগগুলো মুলত কমিউনিটি ব্লগ। প্রতিটি ব্লগেই রেজিস্ট্রেশন করে কয়েকটি ধাপ পেরোতে হয়। তারপর নিয়ম-নীতি মেনে লেখা যায়। এমন কয়েকটি কমিউনিটি ব্লগের ঠিকানা-

সামহয়্যারইন ব্লগ    http://www.somewhereinblog.net)
সচলায়তন    http://www.sachalayatan.com/)
ক্যাডেটকলেজ ব্লগ    http://www.cadetcollegeblog.com/)
আমার ব্লগ    http://www.amarblog.com/)
চতুর্মাত্রিক’    http://www.choturmatrik.com/)
নাগরিক ব্লগ    http://www.nagorikblog.com/)
বিবর্তন বাংলা    http://bn.biborton.com/)
মুক্তমনা বাংলা ব্লগ    http://mukto-mona.com/banga_blog/)


বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম/এমএইচ/এইচবি/এইচআর/এপ্রিল ০৭/১১

Thursday, July 7, 2011

ফ্রিল্যান্সিং এ কাঙ্ক্ষিত লক্ষে পৌছানোর তিনটি মূল মন্ত্

"ফ্রিল্যান্সিং"  ইদানীং কালের ইন্টারনেট ইউজারদের জন্য একটা হট টপিক, বিশেষ করে এশিয়ার দেশগুলোর জন্য। গত কিছুদিন যাবত ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ক বিভিন্ন জরিপে আমাদের দেশ - এর বেশ অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে। আমাদের দেশের মানুষের জন্যে এটি সৌভাগ্য যে আমরা এখন দেশে বসেই অন্য দেশের কাজ করে নিজেদের প্রয়োজনীয় টাকা আয় করতে পারছি, যদিও সবাই এ বিষয়ে সফল না। সফল না হওয়ার পিছনে সবচেয়ে বড় কারণ গুলোর মধ্যে ইংরেজি কম জানা, ধৈর্য না থাকা, রাতারাতি বড়লোক হয়ে যাওয়ার চিন্তা(!!), নিজের ক্ষমতার বাইরের কাজ করতে চাওয়া(যে কাজ পারবেনা সেই কাজ করতে যাওয়া), কোন বিষয়ে শক্ত ভিত্তি নেই তবুও সে কাজ করতে যাওয়া ইত্যাদি অন্যতম।
তবে রাতারাতি বড়লোক হওয়ার চিন্তাটা কেমন যেন বোকা টাইপের চিন্তাভাবনা, বাহিরের দেশের মানুষরা(উন্নত) অন্য দেশের মানুষকে(তুলনামূলক কম উন্নত) দিয়ে কাজ করাচ্ছে তাদের ব্যয় কমানোর জন্য। তারা কারো জন্য টাকার বস্তা নিয়ে বসে নেই, এক কাজে একাধিক মানুষ আবেদন করবে সেটাই স্বাভাবিক, আর এর মধ্যে আপনাকে ভেঙ্গে না পড়ে নিজের সেরাটুকু দিয়ে যান, সব কাজ যে আপনি পাবেন এমটি ভেবে বসবেন না। ভালো ভালো ফ্রিল্যান্সাররাও অনেক গুলো কাজে আবেদন করে খুব অল্প সংখ্যকই কাজ পায়। আপনি প্রতিদিন বিভিন্ন প্রজেক্টে আবেদন করুন, ভালো কাজ পারলে এবং যে কাজ দিয়েছে তাকে বিভিন্ন  স্যাম্পল দেখিয়ে এবং ভালো ব্যবহার করে যদি আকৃষ্ট করতে পারেন তবেই আপনি কাজ পাবেন, তাছাড়া পাবেন না। মাসে মাত্র ৪-৫টা ভালো মানের কাজ করতে পারলেই কিন্তু আর কাজ করার প্রয়োজন হয় না।
reaching goals ফ্রিল্যান্সিং এ কাঙ্ক্ষিত লক্ষে পৌছানোর তিনটি মূল মন্ত্র...   ডিজে আরিফ (আমার ৫০ তম পোস্ট, প্রায় ২১০০ শব্দের গিগা পোস্ট) | Techtunes
আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং এর জন্যে কোন লক্ষ্য ঠিক না করেন তবে আপনি সফল হতে পারবেন না এটাই স্বাভাবিক, এর ব্যতিক্রমও যদি হয়ে থাকে তবে সেটা হবে কাকতালীয়। একজন ভ্রমণকারীকে যেমন ঠিক করতে হয় কোথায় ভ্রমণ করবেন অর্থাৎ তার গন্তব্য কোথায় অনেকটা তেমনি একজন ফ্রিল্যান্সারকেও ঠিক করতে হবে তার গন্তব্য কোথায়।
অধিকাংশ ফ্রিল্যান্সারই বোঝেন যে ফ্রিল্যান্সিং এ নির্দিষ্ট লক্ষ বা গন্তব্য থাকা আবশ্যক। কিন্তু অধিকাংশ ফ্রিল্যান্সারই যেটা বোঝেন না বা বুঝেও করেন না সেটা হলো কিভাবে গন্তব্য তৈরি করতে হবে এবং কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌছতে হবে।
নিজের ফ্রিল্যান্সিং লক্ষ্য তথা গন্তব্য খুব সহজ ভাবেই সেট করা এবং সেটা কায়েম করা খুব একটা কঠিন কাজ নয়। ইচ্ছাশক্তি, দক্ষতা আর লক্ষে পৌঁছানোর জন্যে মনোবল ও আত্মবিশ্বাস থাকলেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষে পৌঁছানো সম্ভব। যা কিনা যেকোনো ফ্রিল্যান্সারকে আরো একটিভ এবং সফল করে তুলতে পারে।
ফ্রিল্যান্সিং এ কাঙ্ক্ষিত লক্ষে পৌঁছানোর তিনটি মূল মন্ত্র তথা ধাপ তুলে ধরা হল:

প্রথম ধাপ: ফ্রিল্যান্সিং এ আপনার নিজস্ব লক্ষ্য নির্ধারণ করে নিন...

আশ্চর্য হওয়ার কিছুই নেই, লক্ষে পৌঁছানোর জন্যে লক্ষ নির্ধারণই প্রথম মন্ত্র। আপনি কখনোই কোন লক্ষের দেখা পাবেন না যদি না আপনার নিজস্ব কোন লক্ষ থেকে থাকে।
তাই নিজের লক্ষ নির্ধারণই আপনার প্রথম কাজ। লক্ষ নির্ধারণ করুন, এক্ষেত্রে আপনাকে রিয়েলিস্টিক এবং সৎ হতে হবে। যা চান ঠিক সেদিকেই আগাবেন, এর অন্যথা করবেন না। লক্ষ পূরণের মাঝপথে থেমে গেলে মনোবল নষ্ট হবে। তাই ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা ভাবনা করুন, ফ্রিল্যান্সিং এ আপনার উদ্দেশ্য কি এবং লক্ষ কি। আপনি ফ্রিল্যান্সিং এ কতদুর এগোতে চান এর উপর নির্ভর করে আপনার লক্ষ সিলেক্ট করুন। লক্ষ নির্ধারণের ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন:
  • ১.নিজের যোগ্যতার সাথে সামঞ্জস্য রেখে লক্ষ নির্ধারণ করুন। ফ্রিল্যান্সিং এ যোগ্যতাই সব। যোগ্যতা না থাকলে ফ্রিল্যান্সিং করা কোন মতেই উচিত হবে না।
  • ২.নিজের সাধ্যমত লক্ষ নির্ধারণ করুন। সফলতা না পেলে ফুল টাইম ফ্রিল্যান্সিং এ নেমে পড়া কারও জন্যে সমীচীন নয়। তাই দিনে কতটুকু সময় আপনি আপনার লক্ষ পূরণে ব্যয় করতে পারবেন আর কোন কোন সময় আপনি পুরোপুরি লক্ষ পূরণে দিতে পারবেন সেটার উপর ভিত্তি করে লক্ষ নির্ধারণ করুন। মনে করুন, আপনি চাচ্ছেন শুধুমাত্র বড় বড় কাজ গুলো করতে যা করতে আপনাকে দিনে ১০-১২ ঘণ্টা ব্যয় করতে হবে।
time management ফ্রিল্যান্সিং এ কাঙ্ক্ষিত লক্ষে পৌছানোর তিনটি মূল মন্ত্র...   ডিজে আরিফ (আমার ৫০ তম পোস্ট, প্রায় ২১০০ শব্দের গিগা পোস্ট) | Techtunes
কিন্তু একজন ছাত্র, চাকুরীজীবী, ব্যবসায়ীর জন্যে ১০-১২ ঘণ্টা ম্যাসেজ করা বেশ কঠিন ব্যাপার। তাও প্রতিদিনই সময় দেয়া সম্ভব নাও হতে পারে। তাই আপনি সাধ্যমত যতটুকু সময় ব্যয় করতে পারবেন তার উপর ভিত্তি করে লক্ষ নির্ধারণ করুন
অধিকাংশ ফ্রিল্যান্সার যারা নিজেদের লক্ষ নির্ধারণ করে ফেলেছেন তাদের মধ্যে বেশ সামঞ্জস্য রয়েছে। বলা যায় তারা অনেকটা একই রকম লক্ষ নির্ধারণ করে। নিচে বেশ কিছু কমন লক্ষ দেয়া হল:
  • আমার ইনকাম বা আয় X টাকা পর্যন্ত করতে হবে।
  • নিজেকে এবং নিজের সংসারকে পুরোপুরি সাপোর্ট দিতে হবে, এজন্যে প্রয়োজনীয় অর্থ উপার্জন করতে হবে।
  • প্রতিদিন গড়ে কমপক্ষে X ঘণ্টা সময় দিতে হবে ফ্রিল্যান্সিং এর জন্যে।
  • ফ্রিল্যান্সিং এর পাশাপাশি নিজের পারসোনাল লাইফের জন্যে কম করে হলেও X ঘণ্টা সময় হাতে রাখতে হবে।
  • ফুল-টাইম ফ্রিল্যান্সার হবো এবং নিজের একটা ব্র্যান্ড তৈরি করবো।
  • X জনে ক্লায়েন্ট ম্যানেজ করতে হবে, যাদের থেকে নিয়মিত কাজ পাবো।
  • X সংখ্যক কাজ প্রতি মাসে করতে হবে।
  • ভালো একটা ফ্রিল্যান্সিং টিপ তৈরি করতে হবে।
বি.দ্রঃ Xকে আপনার কাঙ্ক্ষিত সংখ্যা দিয়ে পূরণ করুন
উপরের লক্ষগুলো ছাড়াও আপনার নিজস্ব আরো হাজারো লক্ষ থাকতে পারে। কারো একাধিক লক্ষও থাকতে পারে, এতে সমস্যা নেই। আপনি নিজের লক্ষ পূরণে অবিচল থাকুন, সফলতা আসবেই। তো আশা করি যাদের লক্ষ ছিলো না তারা লক্ষ নির্ধারণ করে ফেলেছেন icon wink ফ্রিল্যান্সিং এ কাঙ্ক্ষিত লক্ষে পৌছানোর তিনটি মূল মন্ত্র...   ডিজে আরিফ (আমার ৫০ তম পোস্ট, প্রায় ২১০০ শব্দের গিগা পোস্ট) | Techtunes

দ্বিতীয় ধাপ: নির্ধারণ করে নিন কি কি লাগবে আপনার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ তথা সোনার হরিণ পেতে...

আপনি হয়তো একটি বা একাধিক লক্ষ নির্ধারণ করে ফেলছেন যে লক্ষে আপনাকে পৌছুতেই হবে। এবার ক্যালকুলেট করে ফেলুন আপনাকে কি কি করতে হবে লক্ষে পৌছুতে। কখনোই সহজ পথে এগোবেন না, ফ্রিল্যান্সিং এ অল্প বিদ্যা প্রয়োগ করতে গেলে কখনোই মহৎ কিছু সম্ভব না। তাই আপনার লক্ষে পৌছুতে যা যা দরকার ঠিক তেমন ভাবে সঠিক ও মোক্ষম পথে আগান।
ধরে নিলাম আপনার লক্ষ আপনি ফ্রিল্যান্স রাইটার হতে চাচ্ছেন। তো এজন্য প্রথমেই আপনাকে জানতে হবে কি কি বিষয় আপনার জানা বাধ্যতামূলক, কি কি যোগ্যতা থাকতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। এখানে ফ্রিল্যান্স রাইটার হওয়ার কিছু টিপস দেয়া হলোঃ
 ফ্রিল্যান্সিং এ কাঙ্ক্ষিত লক্ষে পৌছানোর তিনটি মূল মন্ত্র...   ডিজে আরিফ (আমার ৫০ তম পোস্ট, প্রায় ২১০০ শব্দের গিগা পোস্ট) | Techtunes
  • ১.ফ্রিল্যান্স রাইটারদের কাজ হলো শুধু আর্টিকেল রাইটিং, ব্লগ রাইটিং, কন্টেন্ট ক্রিয়েশন, আর্টিকেল রিরাইট, বই লেখা ইত্যাদি, তারা অন্য কাজও করতে পারে, তবে যারা প্রফেশনাল তারা একটি বিভাগেই কাজ করে। ফ্রিল্যান্স রাইটার হতে হলে সবার আগে আপনাকে ইংরেজিতে দক্ষ হতে হবে, ইংরেজিতে ভালো দক্ষতা না থাকলে ফ্রিল্যান্স রাইটার হতে পারবেন না।
  • ২.ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ শুরুর আগেই নিজেকে ঝালিয়ে নিতে হবে, প্রথমে নিজে নিজেই টপিক বের করে লেখা শুরু করুন, প্রথমে সহজ বিষয়ে লিখুন, পরবর্তীতে নিজেকে কঠিন কঠিন বিষয়ে লেখার জন্য চ্যালেঞ্জ করুন, এতে আপনার দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস বাড়বে।
  • ৩.লেখার সময় গ্রামারের প্রতি বিশেষ নজর দিবেন, নিজের পক্ষে অনেক সময় নিজের ভুল ধরা সম্ভব নাও হতে পারে,তাই বিভিন্ন গ্রামার চেকার টুল আছে, সেগুলো দিয়ে গ্রামার চেক করাতে পারেন।
  • ৪.প্রতিদিন কম করে হলেও ১০টি শব্দ শিখবেন ডিকশনারি থেকে, এতে আপনার শব্দের ভাণ্ডার বাড়বে।
  • ৫.ভালো মানের লেখকদের বই এবং ভালো ব্লগারদের বই নিয়মিত পড়ুন, এতে বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান বাড়বে।
  • ৬.আপনি যদি সাইড প্রফেশন হিসেবে ফ্রিল্যান্স রাইটিং কে নিতে চান তবে বড় প্রজেক্টে (৫০০ আর্টিকেল বা তারও বেশি) কাজ করবেন না। এতে যথাসময়ে কাজ শেষ করতে না পারার ঝুঁকি থাকে, সাধারণত ছোটখাটো প্রজেক্ট যেমন ৫-১০০ আরটিকেলের কাজ করবেন, আপনি কতদিনে শেষ করতে পারবেন তা নিজে প্ল্যান করে নিয়ে তারপর আবেদন করবেন।
  • ৭.প্রফেশনাল আর্টিকেল রাইটার যারা তারা সাধারণত বড় প্রজেক্ট গ্রুপে করেন, মানে কয়েকজন মিলে করেন এতে বেশ সুবিধা পাওয়া যায়।
  • ৮.কখনোই এমনটি ভাববেন না যে আপনি কপে পেস্ট করে আর্টিকেল জমা দিবেন আর তারা এর জন্য আপনাকে টাকা দিবে। যদি কপি পেস্ট আর্টিকেলেরই তাদের প্রয়োজন হত তবে তারা নিজেরাই কপি করে নিত, আপনাকে টাকা দিয়ে কপি পেস্ট নিশ্চয়ই করাবেনা তারা icon wink ফ্রিল্যান্সিং এ কাঙ্ক্ষিত লক্ষে পৌছানোর তিনটি মূল মন্ত্র...   ডিজে আরিফ (আমার ৫০ তম পোস্ট, প্রায় ২১০০ শব্দের গিগা পোস্ট) | Techtunes
  • ৯.আর্টিকেল যদি ইউনিক চায়, তবে কখনোই কোন ধরনের সফটওয়্যার বা ট্রান্সলেটরের সাহায্যে রিরাইট করে সেটাকে ইউনিক বানাবেন না, কারণ এতে লেখা ইউনিক তো দূরে থাক, লেখার আগা মাথা কিছুই থাকে না, সেরকম লেখা গ্রহণযোগ্য না, কারণ এতে লেখার ভাশাগত ত্রুটি, শাব্দিক ত্রুটি সহ নানা ভুল থাকবে। সুতরাং যারা এ জাতীয় মনোভাব পোষণ করেন যে আরটিকেল রিরাইট করে দিবেন তারা মনোভাব সংশোধন করুন।
  • ১০.আর্টিকেল রিরাইট করার কোন প্রজেক্ট পেলে সেটা ম্যানুয়ালি করবেন, কোন সফটওয়্যার বা ট্রান্সলেটর ব্যবহার করবেন না, যদি করেন তাহলে টাকা হাতে পাওয়ার সম্ভাবনা ০.০০%। আশা করি ব্যাপারটা বুঝতে পেরেছেন।
  • ১১.সবসময় কোন নির্দিষ্ট ধরণের লেখার কাজ করার চেষ্টা করবেন, অনেকেই ভাবেন যে সব লেখা একই রকম, কিন্তু তা ভুল। অনেকে তাদের নিজস্ব ব্লগের জন্য লেখা চায়, অনেকে প্রিন্ট ম্যাগাজিনে দেয়ার জন্য লেখা চায়, অনেকে বই লেখার জন্য লেখা চায়। প্রতিটি ক্ষেত্রেই লেখার মান, কোয়ালিটি এবং স্টাইল ভিন্ন ভিন্ন, তাদের যে যেভাবে যার জন্য লেখা চায় সেভাবেই লিখতে হবে।
  • ১২.আবেদনের পূর্বে যে বিষয়ের আর্টিকেল রাইটিং এর আবেদন করেছে তার একটা ভালো মানের ইউনিকিউ স্যাম্পল দিয়ে দিন, কখনোই ভুলে করে হলেও স্যাম্পল দেখার জন্য কোন ওয়েবসাইটে যাওয়ার আবেদন করবেন না, এমনটি করলে, কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়, তবে আপনার যদি কোন পোর্টফলিও ওয়েবসাইট থাকে (যা কিনা সকল প্রফেশনাল আর্টিকেল রাইটারেরই রয়েছে) তবে সেটাতে যাওয়ার জন্য বলতে পারেন, নিজের পোর্টফলিও ছাড়া অন্য কোন কিছুর লিঙ্ক দিবেন না।
  • ১৩.নিজেকে কখনোই তুচ্ছ মনে করবেন না, আপনার প্রতিদ্বন্দ্বীরা যত ভালো মানের লেখকই হন না কেন নিজেকে সবসময় তাদের সমকক্ষ মনে করবেন।
    কারণ তারাও এক সময় আপনার মতই ছিল, ধীরে ধীরে তারা উন্নতি করেছেন।
  • ১৪.নিজেকে লেখার মাঝে উদার করে দিবেন, ভালো মানের লেখা পেলে একি বায়ারের কাজ থেকে পরবর্তীতে আরো কাজ পেতে পারেন।
  • ১৫.কোন কাজ পেলে সেটাকে নিয়ে অবহেলা করবেন না, নির্দিষ্ট সময়ের আগেই আপনার কাজ শেষ করে  সেটাকে প্রুফ-রিড করুন অথবা গ্রামার চেকার এবং স্পেল চেকার দিয়ে লেখার ভুল সংশোধন করুন।
  • ১৬.অনেক সময় কঠিন বিষয়ে লেখতে হতে পারে, তখন আপনার উচিত সে বিষয়ে কিছুটা পড়ালেখা করে নেয়া, এতে লেখতে সুবিধা হবে, যে বিষয়ে লিখবেন সে বিষয়ে কোন ধারণা না থাকলে কখনোই ভালো লিখতে পারবেন না। তাই যে বিষয়ে লিখবেন সে বিষয়ের বিভিন্ন ফোরাম এবং ব্লগ ভিজিট করুন এবং পড়ুন, এতে আপনার ধারণা ক্লিয়ার হবে।
  • ১৭.কখনোই লেখার মাঝে নিজের মতামত তুলে ধরবেন না। যেমন ধরুন আপনি এমন প্রজেক্ট পেয়েছেন যেঁটাতে বলা হল মাইকেল জ্যাকসনকে নিয়ে লিখতে, কিন্তু আপনি মাইকেল জ্যাকসনকে পছন্দ করেন না icon wink ফ্রিল্যান্সিং এ কাঙ্ক্ষিত লক্ষে পৌছানোর তিনটি মূল মন্ত্র...   ডিজে আরিফ (আমার ৫০ তম পোস্ট, প্রায় ২১০০ শব্দের গিগা পোস্ট) | Techtunes আর  সে কারণে যদি আপনি আপনার লেখার নিজের মতামত তুলে ধরেন যে আমি তাকে পছন্দ করি না, সে এই করসে, সেই করসে, তাহলে কিন্তু আপনার প্রজেক্ট গ্রহণযোগ্য হবে না, তাই লেখার সময় পক্ষপাতিত্ব করবেন না।
  • ১৮.ছোটখাটো প্রজেক্ট হলে যেমনঃ ১০০০-২০০০ শব্দের লেখা হলে, এবং কোন জরুরী বিষয়ে লেখা হলে আগে খাতায় খসড়া করে নিয়ে পড়ে টাইপ করবেন।
অর্থাৎ মূল কথা হলো আপনি যে লক্ষে পৌছুতে চাচ্ছেন সে লক্ষ অর্জন করতে আপনাকে চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে কিভাবে এগিয়ে যেতে হবে এবং কি করতে হবে সেটা নির্ধারণ করুন। আবারও বলছি শর্টকাট পথে এগোবেন না, এটা নিজের পায়ে নিজেই কুড়োল মারার সমান। সঠিক দিক নির্দেশনা নিয়ে সঠিক পথে আগানোর জন্যে কি কি করা উচিত এবং করতে হবে তা ঠিক করে ফেলুন। ধরে নিলাম আপনি সেটা করে ফেলেছেন, এবার পরবর্তী ধাপে যাওয়া যাক।

তৃতীয় ধাপ: লক্ষ পূরণে করণীয় কাজগুলো সম্পাদন করুন...

working hard ফ্রিল্যান্সিং এ কাঙ্ক্ষিত লক্ষে পৌছানোর তিনটি মূল মন্ত্র...   ডিজে আরিফ (আমার ৫০ তম পোস্ট, প্রায় ২১০০ শব্দের গিগা পোস্ট) | Techtunes
আপনার ফাইনাল ধাপ এটাই, আপনার লক্ষে পৌছুতে যা যা করতে হবে সেগুলোকে বাস্তবতায় রূপ দিতে হবে, অর্থাৎ আপনাকে একশন নিতে হবে। অনেকেই হয়তো জানেন কি করতে হবে এবং কিভাবে করতে হবে কিন্তু কখনোই করার চেষ্টা করেন নি, তাই সফলতার মুখ দেখতে হলে আপনাকে অবশ্যই দরকারি পদক্ষেপগুলো হাতে নিতে হবে।
সবচেয়ে ভালো হয় আপনি নির্দিষ্ট একটা সময় ঠিক করে ফেলুন আপনার লক্ষ পূরণের জন্যে। পরিমাণ মতোই সময় সিলেক্ট করবেন। সময় সিলেক্ট করা হয়ে গেলে কাজে নেমে পড়ুন, ঢিলেমির রেশও যেন না থাকে। সবসময়ই আপনাকে নিজের সেরাটা উজাড় করে দিতে হবে প্রয়োজনীয় কাজগুলো করার জন্যে। শিডিউল ছাড়া কাজ করলে সেটা সময় মত না হওয়াটাই স্বাভাবিক, তাই আপনাকে আপনার প্রয়োজনীয় কাজগুলো করার জন্যে শিডিউল তৈরি করে নিতে হবে। শিডিউল মোতাবেক কাজ করতে হবে এবং কাজ সম্পাদন না হওয়া পর্যন্ত লেগে থাকতে হবে বদ্ধপরিকর-ভাবে।
আপনি নিজেই নিজেকে কিছু প্রশ্ন নিয়মিত করতে পারেন, অথবা এমন কোন স্থানে লিখে ঝুলিয়ে রাখতে পারেন যেখানে আপনি সচরাচর থাকেন (যেমনঃআপনার কম্পিউটারের আশেপাশে)। নিজেকে যে প্রশ্নগুলো করতে পারেন:
  • আমি কি আমার লক্ষ পূরণের জন্যে সঠিক পথে এগোচ্ছি?
  • আমার আগানোর গতি কি আমাকে সময় মত লক্ষে পৌঁছে দিতে সক্ষম?
  • আমি লক্ষের কতটা কাছাকাছি এসেছি?
  • আমার লক্ষ কি আসলেই আমার জন্যে মানানসই নাকি আমাকে নতুন লক্ষ সিলেক্ট করতে হবে?
  • আমাকে লক্ষে পৌঁছানোর জন্যে আর কি করার আছে?
প্রশ্নগুলোর উত্তর দিন এবং নিজেই নিজেকে যাচাই করুন... আশা করি সফলতা লাভ করবেন আপনার ফ্রিল্যান্সিং লাইফে আর আপনার সফলতার গল্প আমাদের শোনাবেন... icon biggrin ফ্রিল্যান্সিং এ কাঙ্ক্ষিত লক্ষে পৌছানোর তিনটি মূল মন্ত্র...   ডিজে আরিফ (আমার ৫০ তম পোস্ট, প্রায় ২১০০ শব্দের গিগা পোস্ট) | Techtunes

Wednesday, July 6, 2011

এক ক্লিকেই ১০০০ এর বেশি নতুন ফোল্ডার তৈরি করুন


বাংলাদেশে একটা শব্দ প্রচলিত আছে ‘ ইজি কাজে বিজি’ ।সাধারনত নতুন কম্পিউটার হাতে পেলে ব্যবহার কারিদের এই রোগে ধরে ।মনের মত করে সাজাতে নতুন ফোল্ডার তৈরি ও রিনেম করতে অনেকটা সময় নষ্ট হয় ।
কিন্তু যদি এক ক্লিকেই অনেক ফোল্ডার  তৈরি হয় কেমন মজা হবে ?যদি একটু কষ্ট করে notepad এ আপনি লিখে নেন আপনার প্রয়জনীয় ফোল্ডার গুলর নাম এভাবে-
folder3 এক ক্লিকেই ১০০০ এর বেশি নতুন ফোল্ডার তৈরি করুন   | Techtunes
Start >notepad> notepad এর মধ্যে লিখুন -MD  oidio vde mp3 3gp avi dat tunerpage po psr invoice quotation timecard mvpi alu potol mula car flower excavator crane miniloader backhoe newspaper blog etc >এরপর এটিকে সেভ করুন folder.bat নামে।
folder scrn এক ক্লিকেই ১০০০ এর বেশি নতুন ফোল্ডার তৈরি করুন   | Techtunes
এরপর এটিকে ডাবল ক্লিক করুন দেখবেন MD বর্জিত সকল শব্দ ফোল্ডার হয়ে গেছে সাথে rename ফ্রী ।এবার আপনি MD ছাড়া বাকি সব ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন করে আপনার প্রয়জনীয় ফোল্ডারের   নাম    লিখে ফেলুন ।
(সীমান্ত রোমেল ভাই এর ও এ রকম পোস্ট আমি দেখেছি তাই আপনাদের কাছে জানতে চাচ্ছি আমার এ পোস্টটি ও কি কপি পেস্ট এর দলে বলে গণ্য হয় ??)
আপনাদের মতামত কামনা করছি ।


Read more: http://techtunes.com.bd/tips-and-tricks/tune-id/78480/#ixzz1RJI7npJ4

এবার নিজের কম্পিউটার কে তৈরি করেন HTTP সার্ভার


নিজের কম্পিউটার কে ওয়েব সার্ভার বানিয়ে অন্য কম্পিউটার থেকে  কম্পিউটার / সার্ভারে নির্দিষ্ট ফাইল ব্যবহার করা যাবে।
আপনার নিজের  সার্ভার তৈরি করার  অনেক কারণ আছে। উদাহরণের : ফাইল ভাগাভাগি, সুতরাং আপনি যেখানে ইচ্ছা সেখান থেকে আপনার নিজের কম্পিউটার থেকে ফাইল ডাউনলোড করতে পারেন অথবা আপনি নিজের সার্ভার একটি ওয়েব সাইট তৈরি করতে ব্যাবহার করতে পারেন।
আপনি আপনার কম্পিউটারে একটি ফোল্ডার  নির্বাচন করুন, যে ফোল্ডার এ  , গান , ভিডিও এবং ইত্যাদি রাখলেন যখন আপনি আপনার কম্পিউটারের IP  ওয়েব ব্রাউজারের ্দিয়া এন্টার দিবেন আপনি সব ফোল্ডার এ থাকা  ফাইল দেখতে পাবেন  এবং আপনি ঐ ফাইল ডাউনলোড করতে পারেন.
আসুন এখন একটা সার্ভার তৈরি করি।
১. আপনি আবশ্যক:
#ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ সর্বদা চালু থাকতে হবে।
#আপনার কম্পিউটার এ উইন্ডোস লাগবে
২. আপনার ড্রাইভে একটি ফোল্ডার তৈরী করুন এই যেমন আমি  একটা  ফোল্ডার তৈরি: E:my server
৩।সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করেন http://www.softpedia.com/dyn-postdownload.php?p=12027&t=0&i=1
এবং এটি ইনস্টল করেন,
install apache 11 এবার নিজের কম্পিউটার কে তৈরি করেন HTTP সার্ভার। | Techtunes
৪।যেখানে আপনি  Apache ইনস্টল করছেন  সেখানে জান যেমনঃ “C:Program FilesApache Software FoundationApache2.2conf”),সেখানে খুজেন httpd.conf
Notepad দিয়া ফাইলটি  খুলুন.
conf এবার নিজের কম্পিউটার কে তৈরি করেন HTTP সার্ভার। | Techtunes
open with এবার নিজের কম্পিউটার কে তৈরি করেন HTTP সার্ভার। | Techtunes
এবার notepad খুলা ফাইল এ  নিচের ৩ টা  যোগ করতে হবে।
৫। notepadফাইল খোঁজেন  #DocumentRoot “C:/Program Files/Apache Group/Apache2/htdocs” সাতে এটা যোগ করেন #DocumentRoot “E:my server”.
এবার এটা খোজেন #<Directory  “C:/Program Files/Apache Group/Apache2/htdocs” সাতে এটা যোগ করেন <Directory  “E:my server”>.
এবং এটা খোঁজেন #AllowOverride None বদল করে এটা করেন # AllowOverride All.
E:my server ফোল্ডার হচ্ছে যেখানে আপনে ফাইল রাখবেন ।যেমন আমি E ডিস্ক এ my server নামে ফোল্ডার খুলছিলাম। আপনে যেকোন  জায়গায়ফলদের খুলতে পারেন।
httpd notepad এবার নিজের কম্পিউটার কে তৈরি করেন HTTP সার্ভার। | Techtunes
এখন এটা সেভ করেন httpd.conf. নামে ।
এখন ফাইল টা কপি করেন ,”conf” ফোল্ডার এর বিতর “extra” ফোল্ডার টি খুলেন কপি
করা ফাইল টি এখানে Replace করেন।
৭।এ খুলেন C:Program FilesApache Software FoundationApache2.2htdocs     মানে  এই ফোল্ডার টি   “htdocs”  এবং ডিলিট করেন “index.html
৮। এখন ওয়েব ঠিকানা লিখুন http://localhost/ আথবা আপনার    IP Address দেকতে পাবেন নিচের ছবির মত
index of mozilla firefox এবার নিজের কম্পিউটার কে তৈরি করেন HTTP সার্ভার। | Techtunes
যখন আপনি সিনেমা উপর ক্লিক করবেন
movie এবার নিজের কম্পিউটার কে তৈরি করেন HTTP সার্ভার। | Techtunes
প্রতিটি ফাইল আপনি ২ ধাপ এ যে ফোল্ডার করেছিলেন সে ফোল্ডারে রাখবেন তাহলে http://localhost/ উপর প্রদর্শিত হবে।
৯। যদি আপনি অন্য কম্পিউটার থেকে সার্ভার প্রবেশ করতে চান.তাহলে  রাউটার ব্যবহার করে পোর্ট ফরওয়ার্ড করতে হবে.পোর্ট সংখ্যা 80.
<<>>>এবার আপনার হোম সার্ভার ভোগ করেন>>><<<<Server%20for%20flash এবার নিজের কম্পিউটার কে তৈরি করেন HTTP সার্ভার। | TechtunesServer%20for%20flash এবার নিজের কম্পিউটার কে তৈরি করেন HTTP সার্ভার। | Techtunes


Read more: http://techtunes.com.bd/tips-and-tricks/tune-id/78487/#ixzz1RJEvyK4I

Saturday, July 2, 2011

অটোপেনে ওবামার সই!


হোয়াইট হাউসে কোন দুটি বিষয় সবচেয়ে সুরক্ষিত? উত্তর—এক. বারাক ওবামা, দুই. বারাক ওবামার অটোপেন! 
অটোপেনের সুরক্ষার দরকারটা কী? আর কিইবা এই অটোপেন? সহজ করে বললে, বারাক ওবামা কিংবা যে কারও সই দিয়ে দিতে পারে এমন এক যন্ত্রের নাম অটোপেন। এক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি সরকারই অটোপেন অনুরাগী হিসেবে পরিচয় দিয়েছে। জর্জ বুশ থেকে বারাক ওবামা, নিজ হাতে সই করার চেয়ে অটোপেনেই আস্থা রেখেছেন বেশি। কদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন এক ইতিহাসও লিখে ফেলেছে এই অটোপেন নামক যন্ত্রটি! দেশটির নতুন সংযোজিত এক আইনে বারাক ওবামার সম্মতিসূচক সই দিয়ে। এ নিয়ে হট্টগোলও হয়ে গেছে একচোট।
রিপাবলিকানরা দাবি করেছিল, ওবামার অটোপেনের ব্যবহার এই দেশের শাসনতন্ত্র লঙ্ঘন করছে। ওবামা সরকার অবশ্য তা থোড়াই কেয়ার করেছে। যুক্তি দেখিয়েছে বুশ সরকারও এমনটা করেছে এর আগে।
এরি ফ্লেশচার, ছোট বুশের আমলে ছিলেন হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি। তিনি জানালেন, ‘বুশের আমলে ছোটখাটো আইন প্রণয়নের খসড়ায় প্রেসিডেন্টের সই অটোপেন দিয়ে করা হতো। তবে শেষের দিকে বুশ সব সই নিজ হাতেই করতেন।’
বিল ক্লিনটনের সময় প্রেসিডেন্সিয়াল লেটারস অ্যান্ড মেসেজেস বিভাগের পরিচালক ছিলেন জ্যাক শক। তিনি বললেন, অটোপেনের প্রয়োজনীয়তার কথা, ‘মনে রাখতে হবে, প্রেসিডেন্টের কাছে প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ হাজার চিঠি আসে। তো তাদের সবাইকে খুশি করতে হলে অটোপেনের বিকল্প নেই।’ 
হোয়াইট হাউস অটোপেন নিয়ে মুখ না খোলায় সাংবাদিকেরা হানা দিয়েছিলেন হোয়াইট হাউসে অটোপেনের জোগানদাতা এক প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার বব ওল্ডিংয়ের দরবারে। হতাশ করেছেন তিনিও। তবে মজার আরেকটি তথ্য দিয়েছেন বব, ‘নতুন প্রেসিডেন্ট এলে নতুন নতুন অটোপেন, কড়কড়ে ডলার!’ ববের একেকটি অটোপেনের দাম দুই থেকে ১০ হাজার ডলার। 
পুরোনো অটোপেনগুলো দেখতে ছিল ঢাউস আকারের ড্রাফটিং টেবিলের মতো। তবে হাল জমানারগুলো বেশ স্মার্ট। এতে থাকে মাইক্রোপ্রসেসর এবং ডিজিটাল নিয়ন্ত্রণ-ব্যবস্থা। তবে পুরোনো ও নতুনগুলোর মধ্যে একটাই মিল, এই যন্ত্রগুলোতে দুটি কারিগরি অংশ বিদ্যমান। একটি অংশ সামনে-পেছনে সঞ্চারমান, আরেকটি ওপরে-নিচে। গতি কেমন এই যন্ত্রগুলোর? ঘণ্টায় শ-পাঁচেক সই দিতে পারে একেকটা অটোমেটিক অটোপেন। আর ম্যানুয়ালগুলো পারে ঘণ্টায় ২০০টির মতো। 
হোয়াইট হাউসে অটোপেনের ইতিহাস বেশ পুরোনো। যুক্তরাষ্ট্রের ৩৪তম প্রেসিডেন্ট ডিউইট আইজেনহাওয়ারের আমল থেকে এই যন্ত্রের চল শুরু। 
তবে ঘুরেফিরে একটা প্রসঙ্গই আসে, অটোপেন দিয়ে না হয় একটা ছবি কিংবা চিঠিতে সই দেওয়া যায়। তাই বলে আইন প্রণয়নের মতো ব্যাপারে এর ব্যবহার কতটা গ্রহণযোগ্য?
এপি অবলম্বনে
প্রথম আলো...

Tuesday, June 21, 2011

পিসির হার্ডওয়্যার কনফিগারেশন দেখার পদ্ধতি

পিসির হার্ডওয়্যার কনফিগারেশন দেখার সহজ  পদ্ধতি বা উপায় হলো ডেক্সটপ বা যে কোন স্থানে একটি নতুন টেক্সট প্যাড খোলা এবং তা খালি রেখেই info.nfo নামে সেভ করা। info.nfo না লিখে hardwareinfo.nfo etc লিখলে ও হবে। তবে সবসময় .nfo format টিক রাখতে হবে। ফাইলটি .nfo format এ সেভ করার পর তা একটি নীল স্ক্রিন যুক্ত একটি মনিটর আইকনে পরিনত হবে। এবং তাতে ডাবল ক্লিক করলেই কম্পিউটারের যাবতীয় তথ্য যানা যাবে।প্রেগ্রামটি তৈরী করার জন্য ডেক্সটপে রাইট ক্লিক করে নিউ>>টেক্সট ডকোমেন্ট এ ক্লিক করে info.nfo নামে সেভ করে নীল স্ক্রিন যুক্ত মনিটর টিতে তাতে ডাবল ক্লিক করলেই কম্পিউটারের যাবতীয় তথ্য যানা যাবে..

Monday, June 20, 2011

ডট কমের যুগ শেষ!



ডট কম
ডট কম, ডট গভ অথবা ডট বিডির দিন শেষ হতে যাচ্ছে। পছন্দমতো লেখা যাবে গুড ডট ফুড, ফেস ডট বুক, প্রথম ডট আলো অথবা ইচ্ছামতো যেকোনো ডোমেইন নেম। থাকবে না কোনো বাধ্যবাধকতা বা নিয়ম।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক খবর জানিয়ে লিখেছে, ইন্টারনেট ডোমেইন প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান আগামী বছরের ১২ জানুয়ারি থেকে প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির কাছ ডোমেইন পরিবর্তনের আবেদনপত্র গ্রহণ করবে। আর ২০১২ সালের পরই শুরু হবে ডোমেইন নেমের এই উন্মুক্ত সুবিধা। ডোমেইন নেমে কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি নিজের ইচ্ছামতো যেকোনো শব্দ দিতে পারবে। সিঙ্গাপুরে আইসিএএনএনের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

সবচেয়ে দ্রুতগতির সুপার কম্পিউটার



জাপানের তৈরি একটি সুপার কম্পিউটার বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির সুপার কম্পিউটারের স্থান দখল করেছে। এটি প্রতিদ্বন্দ্বী চীনের একটি সুপার কম্পিউটারের চেয়ে তিন গুণেরও বেশি দ্রুত গণনা করতে পারে। এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো গতকাল সোমবার এ কথা জানিয়েছে।
জাপানের ফুজিৎসু লিমিটেড ও রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে পরিচালিত গবেষণা প্রতিষ্ঠান রাইকেন ইনস্টিটিউট ‘দ্য কে কমিউটার’ নামের এই সুপার কম্পিউটারটি তৈরি করেছে। এটি সেকেন্ডে ৮ দশমিক ১৬২ কোয়াড্রিলিয়ন বার গণনা করতে পারে (এক হাজার ট্রিলিয়নে এক কোয়াড্রিলিয়ন)।
চীনের সুপার কম্পিউটার তিয়ানহে-১এ সেকেন্ডে ২ দশমিক ৬ কোয়াড্রিলিয়ন বার গণনা করতে পারে। তিয়ানজিনের ন্যাশনাল সুপার কম্পিউটার সেন্টার এ কম্পিউটার তৈরি করে। গত বছরের নভেম্বরে এটি বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির সুপার কম্পিউটার হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
ফুজিৎসু ও রাইকেন জানায়, গতকাল সোমবার জার্মানির হামবুর্গে ২০১১ আন্তর্জাতিক সুপার কম্পিউটিং সম্মেলনে বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতিসম্পন্ন ৫০০টি সুপার কম্পিউটারের ষাণ্মাসিক তালিকা প্রকাশ করা হয়। এ তালিকায় দ্য কে কমিউটারকে বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির সুপার কম্পিউটার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
২০০৪ সালের পর এই প্রথম জাপানের তৈরি কোনো সুপার কম্পিউটার শীর্ষস্থান দখল করেছিল। ২০০২ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত জাপানের আর্থ সিমুলেটর নামের কম্পিউটার বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির সুপার কম্পিউটারের স্থান দখল করেছিল। —এএফপি অবলম্বনে আবুল হোসেন

Monday, April 25, 2011

How do I Make my Computer run faster for free



undefined
There may be two reasons why your PC is running slow.
1. You havn’t cleant up your PC for a long time.
2. You have got a virus or spyware on your PC.
I suggest you to run a virus test firstly with your virus scanner:(if you don’t have virus killer, you may try Avast OrKaspersky:
1. Firstly, update your virus scanner database
2. Then run the scanner and check whether you have virus on your PC.
When you find viruses, Kill them!
3.Then Restart your Computer.

Now you’ll find your PC is faster than before,
If not.
You may definetly need to clean up your PC.
Here is instructions about how to clean your PC: http://www.wikihow.com/Clean-Your-Computer
1. Download a nice PC cleaner from http://www.pc-registry-repair.cc
(System cleaner is a best choice)
2. Run the cleaner and clean up your PC.
3. Restart your PC
Source : Yahoo Answers