This is default featured post 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

Showing posts with label Science-and-Technologyr. Show all posts
Showing posts with label Science-and-Technologyr. Show all posts

Thursday, August 18, 2011

আসুস আনলো গেমিং হেডসেট


গেম খেলার সময় যাতে বাইরে থেকে শব্দ এসে মনোযোগে ব্যাঘাত না ঘটাতে পারে সে বিষয়টি মাথায় রেখে একটি হেডসেট তৈরি করেছে ইলেকট্রনিক জায়ান্ট আসুস। হার্ডকোর গেমারদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি এ ডিভাইসটি শ্রোতার মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে এমন সব ধরনের শব্দ ফিল্টার করতে সক্ষম। খবর টাইমস অফ ইন্ডিয়া-এর।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, আরওজি ভলকান এএনসি নামের এই গেমিং হেডসেটটি বেশ হালকা এবং নরম ফোম ও জাপানি চামড়ার তৈরি। এটি ভাঁজ করেও রাখা যায় বলে সহজেই বহনযোগ্য।

এতে রয়েছে ৪০ মিলিমিটার হেডফোন ড্রাইভ যা অডিও শুনতে সাহায্য করবে। এটি বিল্ট ইন ব্লেড শেপড ডেটাকেবল এবং মাইক্রোফোন।

আসুস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যারা দীর্ঘ সময় ধরে গেম খেলতে পছন্দ করেন তাদের জন্য এ হেডফোনটি উপযোগী হবে।

এ হেডফোনটির দাম পড়বে ৭ হাজার ১০০ ভারতীয় টাকা।



বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

Monday, August 15, 2011

তৈরি হচ্ছে কাঁচের হার্ডড্রাইভ

সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের গবেষকরা কাঁচের তৈরি হার্ডড্রাইভে ডেটা সংরক্ষণ করার একটি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন। ‘সুপারম্যান’ সিনেমায় দেখা গেছে স্বচ্ছ কাঁচের গোলকের মধ্যে তথ্য জমা রাখা যায়। গবেষকদের মতে, কম্পিউটারের ক্ষেত্রে বাস্তবিকই এটি করা সম্ভব। খবর টেলিগ্রাফ অনলাইন-এর।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, সাউদাম্পটন ইউনিভার্সিটির গবেষকরা কাঁচের ওপর তথ্য জমা রাখার পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন। লেজার রশ্মি ব্যবহার করে কাঁচের ওপর পরমাণু বিন্যস্ত করার মাধ্যমে নতুন কম্পিউটার মেমোরি তৈরির উপায় তারা বের করে ফেলেছেন।

গবেষকরা দাবি করেছেন, কাঁচের তৈরি এ মেমোরি বর্তমানে ব্যবহৃত কম্পিউটার মেমোরির তুলনায় অনেক বেশি স্থায়ী এবং স্থিতিস্থাপক। এখনকার হার্ডড্রাইভগুলোর জীবনকাল খুবই স্বল্প। মাত্রই ১ বা দুই দশকেই তা তাপমাত্রা বা আদ্রতার কারণে তা নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু কাঁচের তৈরি মেমোরি  ১ হাজার ৮০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত তাপমাত্রা সইতে পারে এবং পানিতেও নষ্ট হয় না। ফলে শত  বছর পার হলেও তথ্য থেকে যায় এ মেমোরিতে।

গবেষকরা আরো জানিয়েছেন, লেজার রশ্মি ব্যবহার করে কাঁচের অণুতে নতুন করে তথ্য লেখা, মুছে ফেলা বা পুনঃলেখনীর কাজটিও করা যাবে। কাঁচের মধ্যে দিয়ে যেভাবে আলো অতিক্রম করে বা অপ্টিক্যাল ফাইবার যেভাবে কাজ করে সেভাবেই এ হার্ডড্রাইভটি কাজ করবে।

গবেষক মার্টিনাস বেরেসনা জানিয়েছেন, মোবাইল ফোনের স্ক্রিনের সমান এক টুকরো কাঁচে ৫০ গিগাবাইটেরও বেশি তথ্য রাখা সম্ভব। আর এ তথ্য স্থানান্তর যোগ্য মেমোরি হিসেবে যতোখানি নিরাপদ ততোটাই স্থায়ী। আর্কাইভ তৈরি বা অনেক বেশি তথ্যভাণ্ডার গড়তে এ মেমোরি ব্যবহার করা যাবে।

গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়েছে ‘অ্যাপ্লাইড ফিজিক্স লেটার্স’ সাময়িকীতে।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, লিথুয়ানিয়ার গবেষণা প্রতিষ্ঠান আলটেকনা এই মেমোরি তৈরির প্রকল্প হাতে নিয়েছে।




বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

Tuesday, August 9, 2011

বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্র ব্যাটারি উদ্ভাবন

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্র ব্যাটারি তৈরির দাবি করেছেন। গবেষকদের দাবি, তারা যে ব্যাটারি উদ্ভাবন করেছেন সেটি ব্যাকটেরিয়ার ৬ ভাগের এক ভাগ মাত্র। খবর সিনেট-এর।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, কেবল মাইক্রোস্কোপেই দেখা সম্ভব এ ব্যাটারি উদ্ভাবন করেছেন রাইস ইউনিভার্সিটির গবেষকরা। গবেষকদের মতে, এ ব্যাটারি কেবল একটি কোষের ওপর ওপর গোয়েন্দাগিরি করতে যে চিপ ব্যবহৃত হয় সেসব চিপেই শক্তি যোগাতে পারবে।

জানা গেছে, এ ব্যাটারি মাত্রই ১৫০ ন্যানোমিটার প্রশস্ত, যার অর্থ; এটি মানুষের চুলের চেয়েও একশো ভাগের এক ভাগ পাতলা।

গবেষকরা জানিয়েছেন, একটি ব্যাটারি এবং সুপারক্যাপাসিটরের মধ্যে ক্রস ঘটিয়ে এ ব্যাটারি তৈরি করেছেন গবেষকরা।


বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

এইচপি আনছে অল ইন ওয়ান টাচস্মার্ট পিসি

ইলেকট্রনিক জায়ান্ট জায়ান্ট হিউলেট-প্যাকার্ড (এইচপি) তাদের অল ইন ওয়ান কম্পিউটার তালিকায় নতুন একটি মডেল যোগ করছে। ‘এক কম্পিউটারের মধ্যেই সবকিছু’ এমন ধারণা থেকেই এইচপি তৈরি করেছে এইচপি টাচস্মার্ট ৬১০ মডেলটি। খবর টাইমস অফ ইন্ডিয়া-এর।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, নতুন মডেলের কম্পিউটারটি মাল্টিটাচ এবং এর ২৩ ইঞ্চি এইচডি ডিসপ্লে ৩০ ডিগ্রি পর্যন্ত বাঁকানো যায়। এ ছাড়াও হোম নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে তার ছাড়াই নোটবুকে সংযোগ দেয়া যায়।

জানা গেছে, এইচপি টাচস্মার্ট ৬১০ কম্পিউটারটিতে আগে থেকেই ফেসবুক, টুইটার, এইচপি রেসিপি বক্স, ওয়েবক্যাম, মিউজিকের মতো অ্যাপ্লিকেশন দেয়া আছে। এতে রয়েছে, এইচপি এবং বিট টেকনোলজির উদ্ভাবন কার বিটস প্রযুক্তি। এটি শিল্পী যেভাবে কোনো গান গেয়েছেন সেটিই শোনাতে পারে।
এইচপি কর্তৃপক্ষ, নতুন মডেলের এই কম্পিউটার বিষয়ে বলছে, এটি সব বয়সের মানুষের কম্পিউটিং চাহিদা মেটাতে পারবে।


বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

আসছে অ্যাপল 'রিপ্লে'

টেক জায়ান্ট অ্যাপল ক্লাউড ভিত্তিক মুভি সার্ভিস আনছে বলেই গুজব রটেছে। আর এই সার্ভিসটা আনতে নাকি খুব বেশি দেরীও নেই। খবর সিনেট-এর।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, অ্যাপলের ক্লাউডভিত্তিক এ মুভি সার্ভিসটির নাম হতে পারে ‘রিপ্লে’। অ্যাপলের আইটিউনস অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারকারীরা রিপ্লে সার্ভিসটি ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। আইটিউনস ব্যবহার করেই অ্যাপল সার্ভার থেকে পুরো মুভিটি নিজস্ব ডিভাইসে ডাউনলোড করে নেয়া যাবে।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, অ্যাপলের মুভি সার্ভিস নিয়ে গুজব রটলেও বাস্তবতা ভিন্ন। অ্যাপলকে এ সার্ভিসটি আনতে হলে বিভিন্ন ফিল্ম ইন্ড্রাস্ট্রির সঙ্গে চুক্তিতে যেতে হবে। তবে, অ্যাপল এ প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে ইতোমধ্যেই ধর্না দিয়েছে বলেও জানা গেছে।

সংবাদমাধ্যমটি আরো জানিয়েছে, অ্যাপলের প্রস্তাবে এইচবিও, টোয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি ফক্স, ইউনিভার্সাল, ওয়ার্নার ব্রাদার্স এবং ওয়াল্ট ডিজনির মতো স্টুডিওগুলো সাড়া দেয়, তবে শীঘ্রই আসছে অ্যাপল ‘রিপ্লে’।


বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

হারকিউলিস আনছে স্যামসাং

ইলেকট্রনিক জায়ান্ট স্যামসাং হারকিউলিস নামে একটি মোবাইল হ্যান্ডসেট তৈরি করছে বলে আগেই গুজব ছড়িয়েছিলো। কিন্তু গুজবটি আর কোনো ডালপালা ছড়ায়নি এতোদিন। সম্প্রতি কানাডায় অনুষ্ঠিত স্যামসাং মোবাইল-এর অনুষ্ঠান থেকে আবারও হারকিউলিসের তথ্য বেরিয়েছে।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, স্যামসাং কর্তৃপক্ষ হারকিউলিস নামের মোবাইল হ্যান্ডসেটটির তথ্য ফাঁস হয়ে গেছে স্যামসাং-এর অনুষ্ঠান থেকেই।

জানা গেছে, হারকিউলিস মোবাইল হ্যান্ডসেটটিতে আছে সাড়ে চার ইঞ্চি মাপের টাচস্ক্রিন এবং চারটি ক্যাপাসিটিভ বাটন। এটির ফিচারগুলোর সঙ্গে এস ২ নামে স্যামসাংয়ের স্মার্টফোনটির বেশ কিছু মিল রয়েছে।

ফাঁস হয়ে যাওয়া তথ্য ঘেঁটে দেখা গেছে, হারকিউলিসে থাকছে ১.২ গিগাহার্জ ডুয়াল কোর প্রসেসর, অ্যান্ড্রয়েড ২.৩ জিঞ্জারব্রেড অপারেটিং সিস্টেম, নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন (এনএফসি) প্রযুক্তি, ১৬ গিগাবাইট ইন্টারনাল মেমোরি, ৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা সুবিধা। দুটি ক্যামেরা থাকায় সামনেরটি ব্যবহার করে ভিডিও চ্যাটও করা যাবে।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, হারকিউলিস বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্যই জানায়নি স্যামসাং।



বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

Thursday, August 4, 2011

ছবি দেখে তথ্য দেবে সফটওয়্যার

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা এমন একটি সফটওয়্যার তৈরি করেছেন যা কোনো ব্যক্তির মুখের ছবি দেখেই তার পুরো তথ্য জানিয়ে দিতে পারে। আর এ সফটওয়্যারটি তৈরি হবার পরই তা কিনে নিয়েছে সার্চ জায়ান্ট গুগল কর্র্তৃপক্ষ। খবর টাইমস অফ ইন্ডিয়া-এর।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, এ সফটওয়্যারটি তৈরি করেছেন কার্নেগি মেলন ইউনিভার্সিটি (সিএমইউ)-এর গবেষকরা।

গবেষক আলেহান্দ্রো অ্যাকুয়িস্টি জানিয়েছেন, কোনো ব্যক্তির বিষয়ে তথ্য পেতে তার ছবিটি কম্পিউটারের ক্যামেরার সামনে ধরলেই তার বিষয়ে অনলাইনে সব তথ্যই পাওয়া যাবে। সে তথ্য ঘেঁটে যেকোনো কিছু হ্যাকও করে ফেলা সম্ভব। তাই অনলাইনে ব্যাক্তিগত তথ্য কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে রাখা খুবই কঠিন।

গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়েছে ‘নিউ সায়েন্টিস্ট’ সাময়িকীতে।

জানা গেছে, চলতি সপ্তাহে লাস ভেগাসে অনুষ্ঠিতব্য ব্ল্যাক হ্যাট সিকিউরিটি কনফারেন্সে এ সফটওয়্যারটি বিষয়ে জানানো হবে।


বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

Saturday, July 23, 2011

গত দশকের ব্যর্থ ১০ প্রযুক্তি

প্রযুক্তিগুলো বাজারে আসার আগেই এমন শোরগোল পড়েছিলো যে সবার ধারণা ছিলো এটিই হয়তো হতে যাচ্ছে চলতি দশকের সেরা প্রযুক্তি। বলা হয়, এসব প্রযুক্তিগুলো যখন বাজারে আসে তখন এগুলো বাজারে সমসাময়িক পণ্যের চেয়ে এগিয়েই ছিলো। তবে, জনপ্রিয়তার বিচারে চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ হয় এগুলো। এসব প্রযুক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে মাইক্রোসফটের ভিস্তা থেকে শুরু করে বর্তমানে জনপ্রিয় ইউটিউবের নামও।

মাইক্রোসফট ভিস্তা
৩০ জানুয়ারি ২০০৭-এ মাইক্রোসফট ভিস্তা বিশ্ববাজারে আসে। বিশ্বের সর্ববৃহৎ টেক জায়ান্টের সর্বাধুনিক পণ্য ছিলো এটি। পিসি অপারেটিং সিস্টেমের নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য এটি তৈরি করা হয়। কিন্তু যে লক্ষ্য নিয়ে এটি তৈরি করা হয়েছিলো সেটিতেই ছিলো সমস্যা। এর নিরাপত্তা দিকগুলো উইন্ডোজের আগের সংস্করণের চাইতে খুব একটা ভালো ছিল না। এতে পুরোনো কম্পিউটারে ব্যবহৃত এক্সপি অপারেটিং সিস্টেম আপগ্রেড করার সুযোগ ছিলো না। বিশ্লেষকরা মত দেন, এটি কম্পিউটারের গতিও কমিয়ে দেয়। ভিস্তা বাজারে ছাড়ার সময় প্রযুক্তি সাইটগুলো এর ইতিবাচক রিভিউ লিখে পাতা ভরে ফেলেছিলো। কিন্তু জনপ্রিয়তার বিচারে এটি কখনও ওপরে উঠে আসতে পারেনি। তাই প্রযুক্তিপণ্য হিসেবে ভিস্তাকেই গত একদশকের ‘লুজার’ তালিকায় প্রথম স্থান নিতে হয়েছে।

গেটওয়ে
কোম্পানি হিসেবে গেটওয়ে আত্মপ্রকাশ করে ১৯৮৫ সালে। যুক্তরাষ্ট্রের সফল পিসি নির্মাতা কোম্পানিগুলোর অন্যতম এটি। ১৯৯০ এর দিকে গেটওয়ে কম্পিউটার বিক্রির পরিমাণ তিনগুণ বেড়ে যায়। ২০০৪ এ এর অবস্থান দাঁড়ায় তিন নম্বরে। সেসময় খুচরা ব্যবসার ২৫ ভাগ কোম্পানিটির দখলে চলে আসে। কিন্তু ২০০৭-এ প্রতিষ্ঠানটির এমনই দুর্দশা হয় যে, এটি মাত্র ৭১ কোটি ডলারে বিক্রি হয়ে যায়। আর ক্রেতা হিসেবে জোটে এসার। আর হঠাৎ ধ্বস এবং ব্যর্থতার কারণ হিসেবে বলা হয়, গেটওয়ে ল্যাপটপ ব্যবসায় ঢুকতে চায়নি। কারণ তারা ভেবেছিলো তাদের কম্পিউটার ব্যবসা রমরমা. ল্যাপটপে যাওয়ার দরকারটা কি! দশকের প্রথমভাগে ডেক্সটপ ব্যবসায় সফল হলেও স্থানান্তরযোগ্য কম্পিউটার তৈরির দৌড়ে অন্য প্রতিষ্ঠানের চেয়ে পিছিয়ে পড়ে গেটওয়ে। এ ছাড়াও এন্টারপ্রাইজ ব্যবসার দিকে ঝুঁকতেও ধীরগতির পরিচয় দেয় গেটওয়ে। এদিকে ডেল দাঁড়িয়ে যায়। এক সময় কম্পিউটারের বদলে ইলেকট্রনিক ভোগ্যপণ্য উৎপাদনের দিকে ঝুঁকে পড়ে গেটওয়ে। কিন্তু এই ব্যবসায় লাভের পরিমাণ কম হওয়ায় এটি কোম্পানির মূলধনের ওপর চাপ ফেলে। ফলাফল হিসেবে ‘লুজার’ তালিকায় নাম উঠে যায় গেটওয়ের।

এইচডি ডিভিডি
এখন পর্যন্ত উৎপাদিত হাই ডেফিনেশন (এইচডি) ডিস্ক দু’টির একটি হলো- এইচডি ডিভিডি, অন্যটি ব্লুরে। ২০০২ সালে এইচডি ডিভিডি তৈরি হয় এবং তোশিবা ও এনইসির অর্থায়নে ২০০৬ সালে এটি বাজারে আসে। সে সময় এর বিক্রি ব্লুরের চেয়ে বেশি ছিল। তবে, এইচডি ডিভিডি ব্যবসায় লাভের মুখ দেখেনি তোশিবা। বিশ্লেষকদের মতে, ২০০৮ সালে ত্যাগ করার আগে পর্যন্ত তোশিবা মোট একশো কোটি টাকার মতো গচ্চা দেয়। সনির ব্লুরের কাছে এইচডি ডিভিডির এই হারের পেছনে বেশ কিছু কারণ ছিলো। বড় ফিল্ম স্টুডিওগুলোকে সিনেমার হাই ডেফিনেশন সংস্করণ ব্লুরে ডিস্কে বাজারে ছাড়তে রাজি করাতে পেরেছিল সনি। সনি নিজেই অন্যতম বড় স্টুডিওর মালিক হবার কারণেই সনির পক্ষে এটি সহজ হয়। অন্যদিকে এইচডি ডিভিডির হারের কারণ হিসেবে তোশিবারও রয়েছে নিজস্ব কিছু ব্যাখ্যা। ডিজিটাল ভিডিও ডাউনলোডকে এই হারের অন্যতম কারণ বলে মনে করে তারা।

ভন্টেজ
ভন্টেজ বা ভিজি ছিলো আসলে ভয়েস ওভার প্রটোকল বা ভিওআইপির আগের প্রজন্ম। বর্তমানে কেবল এবং স্কাইপির মতো কোম্পানিগুলোর লাভের মূল রহস্য হলো ভন্টেজের ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নেয়া। প্রাথমিকভাবে স্কাইপির কথাই বলা যেতে পারে- ২০০৮ সালের শেষ নাগাদ এর রেজিস্টার্ড ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়ায় সাড়ে ৪০কোটিরও ওপরে । এ সময় এর আয় বেড়ে দাড়ায় ৫৫কোটি দশ লাখ ডলারে। পরের বছর স্কাইপির জন্মদাতা ইবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ভিওআইপি কোম্পানি হিসেবে আত্ম প্রকাশের। আর একই বছরের প্রথম ৩ মাসে মধ্যে ভন্টেজ তার ২২ কোটি ৪০ লাখ ডলারের বিনিয়োগ তুলতে ব্যর্থ হয়। আগের কোম্পানি হিসেবেই ২০০০ সালে ভন্টেজ ব্যবসা চালিয়ে যায়। এরপর অনেকটা ঝুঁকি নিয়েই ভন্টেজ আগ্রাসীভাবে তার ডায়াল আপ ফোনের বিকল্প সেবা দিতে শুরু করে। ২০০৬ সালে কোম্পানিটি সফলভাবে আইপিও খাত থেকে ৫ কোটি ৩১০ লাখ ডলার আয় করতে সমর্থ হয়। এ সময় এর নূন্যতম সেবার দাম রাখা হয় মাত্র ৭ ডলার। আর ডিসেম্বর নাগাদ দুর্বল আয় আর প্রতিযোগী কেবল কোম্পানিগুলোর চাপে এর শেয়ারের মূল্য এক ডলারে এসে ঠেকে। পাশাপাশি কিছু মামলাও জোটে ভন্টেজের ভাগ্যে। যার ক্ষতিপূরণ হিসেবে গুণতে হয় কোটি কোটি ডলার। এরপর থেকে ভন্টেজ-এর ভাগ্যে লাভের মুখ দেখা আর হয়ে ওঠেনি। ফলে চরম ব্যর্থ হয় ভন্টেজ।

ইউটিউব
ভিডিও শেয়ারে বর্তমানে তুমুল জনপ্রিয় ইউটিউবকেও গত দশকের ব্যর্থ প্রযুক্তির তালিকায় ফেলা হয়। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভিডিও শেয়ারিং সাইট ইউটিউব। অনলাইন জরিপ প্রতিষ্ঠান কমস্কোরের মতে, ২০০৯ সালের মার্চ মাসে কেবল আমেরিকাতেই প্রায় ১০ কোটি লোক ইউটিউবে প্রায় ছয় হাজার কোটি ভিডিও দেখেছে। ২০০৬-এ গুগল ১৬ কোটি ৫০ লাখ ডলারে ইউটিউব কিনে নেয়। একটি সার্চ ইঞ্জিনের পক্ষে এমন বড় ধরনের বিনিয়োগ না উঠে আসাই ছিলো স্বাভাবিক। অসংখ্য দর্শক আর কন্টেন্ট থাকার পরও বিজ্ঞাপন এবং প্রিমিয়াম কন্টেন্ট থেকে টাকা কামাই করার মডেল হিসেবে কখনই দাঁড়াতে পারেনি ইউটিউব। আর ইউটিউবের বেশিরভাগ ভিডিওর মানও খারাপ। তাই ব্যবসা জমেনি। তবে, গুগল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য হচ্ছে, ইউটিউব ভিডিওগুলোকে অর্থের মানদণ্ডে মাপা মোটেই ঠিক হবে না। ফোর্বসের এক গণনায় দেখা যায়, ২০০৮-এ সাইটটির থেকে আয় ছিলো ২০ কোটি ডলার। সম্প্রতি ক্রেডিট সুইসির এক হিসেবে দেখানো হয় সাইটটি চালাবার জন্য কেবল তথ্য মজুদ আর ব্যান্ডউইথ খাতেই এবছর ইউটিউবের খরচ হবে ৪৭ কোটি ডলার। হিসেবে দেখা গেছে, স্রেফ খরচ তুলতেই ইউটিউবকে আরও তিনগুণ বেশি আয় করতে হবে। নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদন অনুসারে, জনপ্রিয়তা স্বত্বেও ইউটিউবকে লাভের মুখ দেখতে এখনো অনেক লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। আর এ ব্যর্থতাতে মুখ থুবড়ে ‘লুজার’ তালিকায় ইউটিউবের নামটিও যোগ হয়েছে।

সিরিয়াস এক্সএম
সিরিয়াস এক্সএম (এসআইআরআই) খুব চমৎকার একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস। স্যাটেলাইট রেডিও হিসেবে এতে একশোরও বেশি রেডিও স্টেশন শোনা যায়। এ ছাড়াও এর পোর্টেবল সংস্করণও বের হয়েছে। শুরুর দিকে সিরিয়াস এক্সএম নিয়ে কোন ব্যবসায়িক চিন্তা ছিলো না এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের। সিরিয়াস এক্সএম এবং এক্সএম স্যাটেলাইট রেডিও নামের দুটি কোম্পানি এক হয়ে ২০০১-এ এই সেবা প্রদানের কাজ শুরু করে। বছরের শেষ নাগাদ এর ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়ায় ২৮ হাজারে। ২০০২ সালে এই সংখ্যা দাঁড়ায় সাড়ে তিন লাখ এবং পরের বছর ৬০ লাখ। তবে, গ্রাহক বাড়লেও সিরিয়াস এক্সএমের বাজারজাত, বিপণন, ব্যবস্থাপনাসহ অন্যান্য ব্যায়ের কারণে কোম্পানিটি শত কোটি টাকার ঋণের বোঝা বাড়ছিলো। আশা ছিলো একদিন লাভের মুখ দেখবে এটি। তবে যতো এটি দ্রুত জনপ্রিয়তা পেয়েছে তত দ্রুতই ধ্বস। অ্যাপলের তৈরি আইপড আর স্মার্টফোনের জনপ্রিয়তাই সিরিয়াস এক্সএমকে লুজার তালিকায় স্থান করে নিতে অনেকটাই বাধ্য করেছে।

মাইক্রোসফট জুন
মাইক্রোসফটের আরো একটি পণ্য ব্যর্থতার তালিকায় রয়েছে। সেটি জুন প্লেয়ার। মাইক্রোসফট জুন বাজারে আসে ২০০৬ এর নভেম্বরে। অ্যাপলের আইপডের সঙ্গে প্রতিযোগিতার দৌড়ে নামতেই বাজারে এসেছিলো জুন প্লেয়ার। কিন্তু জুন চরম ব্যর্থ হয়। জুন বাজারে আসার সময় সারা বিশ্বে অ্যাপল দশ কোটি আইপড বিক্রি করে। আইপড বাজার দখল করতে এসে, অনেক বাজেটের জুন লুজার হয়েই মুখ লুকিয়েছে।

পাম
সঙ্গে রাখার মত হার্ডওয়ার ডিভাইস ও ডেস্কটপ অপারেটিং সিস্টেম মিলিয়ে তৈরি হয়েছিল পাম (পিএএলএম)। এটিই পামের স্মার্টফোন। পারসোনাল অরগানাইজার হিসেবেও একটি হার্ডওয়ার ডিভাইস ১৯৯৯ সালে বাজারে ছাড়ে পাম। এ ডিভাইসটির নাম পাম ভি। হ্যান্ডস্পিং এর বানানো পাম ট্রায়ো স্মার্টফোনটির স্বত্বও কিনে নেয় পাম। ২০০৫ এ প্রচুর পাম মোবাইল বিক্রি হয়। স্মার্টফোনের বাজার বলতে কেবল তখন পামই ছিলো। তবে, এর পরপরই পামকে প্রতিযোগতায় নামতে হয় অ্যাপল এবং ব্ল্যাকবেরির সঙ্গে। বিশ্লেষকরা বলেন, একই ডিভাইসের মধ্যে তারের জটিলতা এবং তথ্য রাখার বিষয়টি বুঝতে দেরি করে ফেলে পাম। এ সুযোগটি নিয়ে নেয় অ্যাপল। আর এই দেরিই শেষপর্যন্ত তাদের জন্য কাল হয়ে দাড়ায়। এ ব্যর্থতা মেনে নিয়ে এরপর নতুন আর কোন ডিভাইস নিয়ে বাজারে আসেনি পাম।

ইরিডিয়াম
মটোরোলা সমর্থিত গ্লোবাল স্যাটেলাইট ফোন কোম্পানি ইরিডিয়াম ১৯৯৯ সালে দেউলিয়া হয়ে যায়। কিন্তু তার আগে কোম্পানিটি বিশ্বব্যাপী ওয়্যারলেস ফোন সেবা দেবার জন্য উপগ্রহ অবকাঠামো সহ অন্যান্য খাতে ৫ লক্ষ কোটি ডলার খরচ করে। সে সময় আমেরিকায় সবচেয়ে বড় দেউলিয়া ঘোষণার তালিকায় এটি ছিল ২০তম ঘটনা। ঠিকঠাক কাজ চালাবার জন্য তাদের দরকার ছিল ৬৬ টি উপগ্রহের। এমন বড় ধরনের উপগ্রহ যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে গিয়ে কোম্পানিটি এক কোটি ৫০ লক্ষ ডলার ঋণের বোঝার মুখোমুখি হয়। কিন্তু মাঠে নেমে মাত্র দশ হাজার ক্রেতা পাওয়ার পর তাদের পুরোপুরি হতাশ হতে হয়। এর বড় আরেকটা কারণ ছিলো তাদের প্রথম হ্যান্ডসেটের কারিগরি ত্রুটি। ১৯৯৮ সালে ডার্টমাউথ বিজনেস স্কুলের এক গবেষণায় ভবিষ্যতবাণী ছিল, সে বছর ইরিডিয়ামের গ্রাহকের সংখ্যা ৫ লাখে পৌঁছাবে। কিন্তু অবকাঠামোর বেশিরভাগ উন্নত বিশ্বের বাইরে হওয়ায় কোম্পানিটি সেবার মূল্য বাড়াতে বাধ্য হয়। এই বিচারে ইরিডিয়াম সেটের দাম ৩’শ ডলার এবং টক টাইম মিনিটে ৫ ডলার ধার্য করা হয়। সেলুলার সেবা বেশিদূর পর্যন্ত না থাকায় এবং খরচ বেশি হওয়া ও কারিগরি ত্রুটির কারণে তাদের এই সেবা কার্যক্রম জনপ্রিয়তা হারায়। ব্যবহারের সময় ফোনের এন্টেনা স্যাটেলাইট বরাবর হতে হয় বলে বাড়ি ও গাড়ির ভেতরে অবস্থানের সময় এবং অনেক শহর এলাকায় লোকজন এই ফোন ব্যবহার করতে গিয়ে বিপাকে পড়ে।

সেগওয়ে
দু’চাকার ব্যক্তিগত যান সেগওয়ে ২০০২ সালে বাজারে আসে। সে সময় সেগওয়ে প্রধান বলেছিলেন, এটি একই সঙ্গে ঘোড়া এবং গাড়ির কাজ করবে। কিন্তু সেগওয়ের ঘোড়া-গাড়ি হয়ে ওঠা হয়নি, এটি মোটেও জনপ্রিয়তা পায়নি। এদিকে এ গাড়িটি তৈরি করতে সেগওয়ে প্রায় দশ কোটি ডলারের মত খরচ করে। কিন্তু তৈরির পেছনে এতো অর্থ ঢালার কারণেই বেকায়দায় পড়ে সেগওয়ে। গাড়িটি বিক্রির জন্য দাম হাঁকা হয় বেশি, যা ক্রেতার সাধ্যের নাগালের বাইরে ছিলো। পাশাপাশি এ গাড়িটি অনেক দেশে নিষিদ্ধ করা হয়। রাস্তায় সেগওয়ে চালাতে হলে অন্যান্য গাড়ির মতো লাইসেন্স নিতে হতো। এতো ঝক্কি-ঝামেলায় জনপ্রিয়তা তো দূরের কথা সেগওয়েকে আড়ালেই চলে যেতে হয়।

ব্যর্থতার বেড়াজালে বন্দী এমন প্রযুক্তি নানাভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টাও করেছে। তবে, সফল হয়নি। চলতি দশকে হয়তো আবারও অন্য কোনো প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে এই তালিকায় থাকা কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। এরপরে হয়তো এদের সফলতার কথাই তুলে আনবে মেইনবোর্ড।


Monday, July 18, 2011

অনলাইনে নারীরাই বেশি খোলামেলা

সাম্প্রতিক এক গবেষণার ফল বলছে, অনলাইনে পুরুষের চেয়ে নারীরাই বেশি খোলামেলা। তারা সাইবারজগতে পুরুষের চেয়ে বেশি উত্তেজক কথা বলেন এবং বিশ্বাসঘাতকতার কাজটিও করে থাকেন অপেক্ষাকৃত বেশি। খবর সিনেট-এর।
সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ইউনিভার্সিটি অফ নেব্রাস্কা এবং ওয়াসবার্ন ইউনিভার্সিটির দুজন গবেষক আলাদা আলাদা গবেষণা করে একইরকম ফল পেয়েছেন।
জানা গেছে, ইউনিভার্সিটি অফ নেব্রাস্কা-এর গবেষক দিয়ানে খোলাস ওয়াইসোকির গবেষণার বিষয়টি ছিলো ‘লেট মাই ফিংগারস ডু দ্য টকিং: সেক্সটিং অ্যান্ড ইনফিডেলটি ইন সাইবারস্পেস’।
গবেষণার ফল বলছে, সাইবার জগতে তিনজনের দুইজন মেয়েই খোলামেলা আলাপচারিতায় অভ্যস্ত। এ ছাড়াও অধিকাংশ নারী অনলাইনে তাদের বিবসনা ছবি পাঠাতে পছন্দ করেন। এদিক থেকে পুরষের হার অর্ধেক।
গবেষক ড. ওয়াইসোকি জানিয়েছেন, অনলাইনে প্রতারণা যেমন বাড়ছে তেমনি সেক্সটিং বা খোলামেলা আলাপচারিতাও বাড়ছে। আর এখন এটিই দাম্পত্য বিচ্ছেদের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
bdnews24.com

Saturday, July 16, 2011

বাজারে এল চমক লাগানো প্রযুক্তিপণ্য

মডেলের হাতে এসারের আইকনিয়া ট্যাব
মডেলের হাতে এসারের আইকনিয়া ট্যাব
এসার আইকনিয়া সিরিজের পাঁচটি মডেলের ল্যাপটপ কম্পিউটার, ট্যাবলেট কম্পিউটার, মোবাইল ফোন বাজারে ছেড়েছে। এবার বাংলাদেশের বাজারেও এগুলো ছাড়ার ঘোষণা দেওয়া হলো।
নতুন পণ্য বাজারজাতকরণ উপলক্ষে গত বুধবার রাতে রাজধানীর একটি হোটেলে এসারের পরিবেশক এক্সিকিউটিভ টেকনোলজি লিমিটেড একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।অনুষ্ঠানে এসারের পণ্য প্রদর্শনের পাশাপাশি পরিবেশকদেরও পুরস্কৃত করা হয়। 
এসার ইন্ডিয়ার প্রধান বিপণন কর্মকর্তা এস রাজেন্দ্রন এসার আইকনিয়া সিরিজের বিভিন্ন সুবিধার কথা উপস্থিত অতিথিদের জানান। তিনি আরও জানান, আইকনিয়া ট্যাবলেট পিসির এ৫০০ ডব্লিউ৫০০ মডেলে আছে অ্যালুমিনিয়াম কেসিং।এটি ১৩.৩ মিমি পুরু।এই ট্যাবলেটে আছে মাল্টি টাচ সুবিধা (হাতের পাঁচ আঙুল একত্রে ব্যবহার করা যায়)। এসার আইকনিয়া ট্যাবলেট পিসির (এ১০০ মডেল ৭ ইঞ্চি পর্দা ও অ্যানড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম) পাশাপাশি, স্মার্টফোন এ৩০০ (এনড্রয়েড ২.৩ অপারেটিং সিস্টেম, ৮ মেগা পিক্সেল ক্যামেরাসহ) দেখানো হয় অনুষ্ঠানে। গুগলের হানিকম্ব ও অ্যান্ড্রয়েড চালিত দুটি ট্যাবেলট কম্পিউটার এখন দেশের বাজারে পাওয়া যাবে।আইকনিয়া ট্যাবের আইকনিয়া সিরিজের ল্যাপটপে আছে দুইটি পর্দা। এতে ভার্চুয়াল কি-বোর্ড ব্যবহারের সুবিধাও আছে। 
এক্সিকিউটিভ টেকনোলজি লিমিটেডের উপমহাব্যবস্থাপক সালমান আলী জানান, এসারের এ৫০০ আইকনিয়া ট্যাব অ্যান্ড্রয়েডসহ দাম ৪৫ হাজার ৮০০ আর উইন্ডোজ ৭ হোম প্রিমিয়ামসহ এর দাম ৫২ হাজার ৮০০ টাকা। অনুষ্ঠানে ফ্যাশন শোর মাধ্যমে এসব পণ্য দেখানো হয়।

প্রথম আলো

Wednesday, July 6, 2011

এবার নিজের কম্পিউটার কে তৈরি করেন HTTP সার্ভার


নিজের কম্পিউটার কে ওয়েব সার্ভার বানিয়ে অন্য কম্পিউটার থেকে  কম্পিউটার / সার্ভারে নির্দিষ্ট ফাইল ব্যবহার করা যাবে।
আপনার নিজের  সার্ভার তৈরি করার  অনেক কারণ আছে। উদাহরণের : ফাইল ভাগাভাগি, সুতরাং আপনি যেখানে ইচ্ছা সেখান থেকে আপনার নিজের কম্পিউটার থেকে ফাইল ডাউনলোড করতে পারেন অথবা আপনি নিজের সার্ভার একটি ওয়েব সাইট তৈরি করতে ব্যাবহার করতে পারেন।
আপনি আপনার কম্পিউটারে একটি ফোল্ডার  নির্বাচন করুন, যে ফোল্ডার এ  , গান , ভিডিও এবং ইত্যাদি রাখলেন যখন আপনি আপনার কম্পিউটারের IP  ওয়েব ব্রাউজারের ্দিয়া এন্টার দিবেন আপনি সব ফোল্ডার এ থাকা  ফাইল দেখতে পাবেন  এবং আপনি ঐ ফাইল ডাউনলোড করতে পারেন.
আসুন এখন একটা সার্ভার তৈরি করি।
১. আপনি আবশ্যক:
#ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ সর্বদা চালু থাকতে হবে।
#আপনার কম্পিউটার এ উইন্ডোস লাগবে
২. আপনার ড্রাইভে একটি ফোল্ডার তৈরী করুন এই যেমন আমি  একটা  ফোল্ডার তৈরি: E:my server
৩।সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করেন http://www.softpedia.com/dyn-postdownload.php?p=12027&t=0&i=1
এবং এটি ইনস্টল করেন,
install apache 11 এবার নিজের কম্পিউটার কে তৈরি করেন HTTP সার্ভার। | Techtunes
৪।যেখানে আপনি  Apache ইনস্টল করছেন  সেখানে জান যেমনঃ “C:Program FilesApache Software FoundationApache2.2conf”),সেখানে খুজেন httpd.conf
Notepad দিয়া ফাইলটি  খুলুন.
conf এবার নিজের কম্পিউটার কে তৈরি করেন HTTP সার্ভার। | Techtunes
open with এবার নিজের কম্পিউটার কে তৈরি করেন HTTP সার্ভার। | Techtunes
এবার notepad খুলা ফাইল এ  নিচের ৩ টা  যোগ করতে হবে।
৫। notepadফাইল খোঁজেন  #DocumentRoot “C:/Program Files/Apache Group/Apache2/htdocs” সাতে এটা যোগ করেন #DocumentRoot “E:my server”.
এবার এটা খোজেন #<Directory  “C:/Program Files/Apache Group/Apache2/htdocs” সাতে এটা যোগ করেন <Directory  “E:my server”>.
এবং এটা খোঁজেন #AllowOverride None বদল করে এটা করেন # AllowOverride All.
E:my server ফোল্ডার হচ্ছে যেখানে আপনে ফাইল রাখবেন ।যেমন আমি E ডিস্ক এ my server নামে ফোল্ডার খুলছিলাম। আপনে যেকোন  জায়গায়ফলদের খুলতে পারেন।
httpd notepad এবার নিজের কম্পিউটার কে তৈরি করেন HTTP সার্ভার। | Techtunes
এখন এটা সেভ করেন httpd.conf. নামে ।
এখন ফাইল টা কপি করেন ,”conf” ফোল্ডার এর বিতর “extra” ফোল্ডার টি খুলেন কপি
করা ফাইল টি এখানে Replace করেন।
৭।এ খুলেন C:Program FilesApache Software FoundationApache2.2htdocs     মানে  এই ফোল্ডার টি   “htdocs”  এবং ডিলিট করেন “index.html
৮। এখন ওয়েব ঠিকানা লিখুন http://localhost/ আথবা আপনার    IP Address দেকতে পাবেন নিচের ছবির মত
index of mozilla firefox এবার নিজের কম্পিউটার কে তৈরি করেন HTTP সার্ভার। | Techtunes
যখন আপনি সিনেমা উপর ক্লিক করবেন
movie এবার নিজের কম্পিউটার কে তৈরি করেন HTTP সার্ভার। | Techtunes
প্রতিটি ফাইল আপনি ২ ধাপ এ যে ফোল্ডার করেছিলেন সে ফোল্ডারে রাখবেন তাহলে http://localhost/ উপর প্রদর্শিত হবে।
৯। যদি আপনি অন্য কম্পিউটার থেকে সার্ভার প্রবেশ করতে চান.তাহলে  রাউটার ব্যবহার করে পোর্ট ফরওয়ার্ড করতে হবে.পোর্ট সংখ্যা 80.
<<>>>এবার আপনার হোম সার্ভার ভোগ করেন>>><<<<Server%20for%20flash এবার নিজের কম্পিউটার কে তৈরি করেন HTTP সার্ভার। | TechtunesServer%20for%20flash এবার নিজের কম্পিউটার কে তৈরি করেন HTTP সার্ভার। | Techtunes


Read more: http://techtunes.com.bd/tips-and-tricks/tune-id/78487/#ixzz1RJEvyK4I

Tuesday, July 5, 2011

ইনস্টল করেন উইন্ডোজ এক্সপি ১০ মিনিটের কম সময়ে


 ইনস্টল করেন উইন্ডোজ এক্সপি ১০ মিনিটের কম সময়ে | Techtunes
অনেকের হয়তো জানা আছে তবু ও শেয়ার করছি নতুনদের কাজে লাগতে  পারে।
এই ছোট টিপ যারা ​​প্রায়ই উইন্ডোজ এক্সপি অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করেন তাদের জন্য খুব সহায়ক হবে. সাধারণত অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টলেশনের সময় 40 মিনিট পর্যন্ত সময় নেয়, কিন্তু এই  টিপস এর মাধ্যমে আপনি এখন 10 মিনিট  করতে পারবেন.
১. উইন্ডোজ এক্সপি সিডি দিয়ে বুট করান।
২. পরে সম্পূর্ণরূপে সব ফাইল লোড হলে , আপনি পার্টিশন নির্বাচন অপশন পাবেন.“c”.নির্বাচন করুন.
৩. এখন পার্টিশন টি  ফরম্যাট ফরম্যাট করেন  স্বাভাবিক NTFS বা FAT
৪।একবার ফরম্যাট সম্পন্ন হলে সেটআপ ইনস্টলেশনের জন্য আবশ্যক সব ফাইল কপি করা হয় আপনার সিস্টেম পুনরায় Restart নিবে অথবা আপানে এন্টার টিপে Restart করান।
এখন এখানে থেকেই 10 মিনিট  এ কাজ করানো  শুরু.
৫. পুনরায় বুট করার পরে, আপনি একটি পর্দা দেকতে পাবেন অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টলেশন শেষ হতে 40 মিনিট সময় লাগবে।
নিচের ছবির মত
windows xp pro vmware player 1 ইনস্টল করেন উইন্ডোজ এক্সপি ১০ মিনিটের কম সময়ে | Techtunes
৬. এখন Shift + F10 প্রেস কী চাপেন  প্রর্দশিত হবে কমান্ড প্রম্পট.
৭.Enter “Taskmgr” কমান্ড প্রম্পট উইন্ডোর এ.নিচের ছবির মত একটি  টাস্ক ম্যানেজার খুলবে.
25 265x300 ইনস্টল করেন উইন্ডোজ এক্সপি ১০ মিনিটের কম সময়ে | Techtunes
৮. প্রসেস ট্যাবে ক্লিক করুন >এখানে  setup.exe বাহির করেন>Setup.exe উপর রাইট ক্লিক করুন> Set Priority > নির্বাচন করেন  High or Above Normal।
সমস্ত সম্পন্ন ..!!!
আর কিছু করতে হবে না এবার দেখুন কিভাবে দ্রুত ইনস্টলেশন প্রক্রিয়া সমাপ্ত হয়।
ভাল করে লিখতে পারি নাই ভুল হলে ক্ষমা করবেন সবাই।


Read more: http://techtunes.com.bd/tips-and-tricks/tune-id/78623/#ixzz1RIfNGpzG

Saturday, July 2, 2011

অটোপেনে ওবামার সই!


হোয়াইট হাউসে কোন দুটি বিষয় সবচেয়ে সুরক্ষিত? উত্তর—এক. বারাক ওবামা, দুই. বারাক ওবামার অটোপেন! 
অটোপেনের সুরক্ষার দরকারটা কী? আর কিইবা এই অটোপেন? সহজ করে বললে, বারাক ওবামা কিংবা যে কারও সই দিয়ে দিতে পারে এমন এক যন্ত্রের নাম অটোপেন। এক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি সরকারই অটোপেন অনুরাগী হিসেবে পরিচয় দিয়েছে। জর্জ বুশ থেকে বারাক ওবামা, নিজ হাতে সই করার চেয়ে অটোপেনেই আস্থা রেখেছেন বেশি। কদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন এক ইতিহাসও লিখে ফেলেছে এই অটোপেন নামক যন্ত্রটি! দেশটির নতুন সংযোজিত এক আইনে বারাক ওবামার সম্মতিসূচক সই দিয়ে। এ নিয়ে হট্টগোলও হয়ে গেছে একচোট।
রিপাবলিকানরা দাবি করেছিল, ওবামার অটোপেনের ব্যবহার এই দেশের শাসনতন্ত্র লঙ্ঘন করছে। ওবামা সরকার অবশ্য তা থোড়াই কেয়ার করেছে। যুক্তি দেখিয়েছে বুশ সরকারও এমনটা করেছে এর আগে।
এরি ফ্লেশচার, ছোট বুশের আমলে ছিলেন হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি। তিনি জানালেন, ‘বুশের আমলে ছোটখাটো আইন প্রণয়নের খসড়ায় প্রেসিডেন্টের সই অটোপেন দিয়ে করা হতো। তবে শেষের দিকে বুশ সব সই নিজ হাতেই করতেন।’
বিল ক্লিনটনের সময় প্রেসিডেন্সিয়াল লেটারস অ্যান্ড মেসেজেস বিভাগের পরিচালক ছিলেন জ্যাক শক। তিনি বললেন, অটোপেনের প্রয়োজনীয়তার কথা, ‘মনে রাখতে হবে, প্রেসিডেন্টের কাছে প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ হাজার চিঠি আসে। তো তাদের সবাইকে খুশি করতে হলে অটোপেনের বিকল্প নেই।’ 
হোয়াইট হাউস অটোপেন নিয়ে মুখ না খোলায় সাংবাদিকেরা হানা দিয়েছিলেন হোয়াইট হাউসে অটোপেনের জোগানদাতা এক প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার বব ওল্ডিংয়ের দরবারে। হতাশ করেছেন তিনিও। তবে মজার আরেকটি তথ্য দিয়েছেন বব, ‘নতুন প্রেসিডেন্ট এলে নতুন নতুন অটোপেন, কড়কড়ে ডলার!’ ববের একেকটি অটোপেনের দাম দুই থেকে ১০ হাজার ডলার। 
পুরোনো অটোপেনগুলো দেখতে ছিল ঢাউস আকারের ড্রাফটিং টেবিলের মতো। তবে হাল জমানারগুলো বেশ স্মার্ট। এতে থাকে মাইক্রোপ্রসেসর এবং ডিজিটাল নিয়ন্ত্রণ-ব্যবস্থা। তবে পুরোনো ও নতুনগুলোর মধ্যে একটাই মিল, এই যন্ত্রগুলোতে দুটি কারিগরি অংশ বিদ্যমান। একটি অংশ সামনে-পেছনে সঞ্চারমান, আরেকটি ওপরে-নিচে। গতি কেমন এই যন্ত্রগুলোর? ঘণ্টায় শ-পাঁচেক সই দিতে পারে একেকটা অটোমেটিক অটোপেন। আর ম্যানুয়ালগুলো পারে ঘণ্টায় ২০০টির মতো। 
হোয়াইট হাউসে অটোপেনের ইতিহাস বেশ পুরোনো। যুক্তরাষ্ট্রের ৩৪তম প্রেসিডেন্ট ডিউইট আইজেনহাওয়ারের আমল থেকে এই যন্ত্রের চল শুরু। 
তবে ঘুরেফিরে একটা প্রসঙ্গই আসে, অটোপেন দিয়ে না হয় একটা ছবি কিংবা চিঠিতে সই দেওয়া যায়। তাই বলে আইন প্রণয়নের মতো ব্যাপারে এর ব্যবহার কতটা গ্রহণযোগ্য?
এপি অবলম্বনে
প্রথম আলো...

Monday, April 25, 2011

How do I Make my Computer run faster for free



undefined
There may be two reasons why your PC is running slow.
1. You havn’t cleant up your PC for a long time.
2. You have got a virus or spyware on your PC.
I suggest you to run a virus test firstly with your virus scanner:(if you don’t have virus killer, you may try Avast OrKaspersky:
1. Firstly, update your virus scanner database
2. Then run the scanner and check whether you have virus on your PC.
When you find viruses, Kill them!
3.Then Restart your Computer.

Now you’ll find your PC is faster than before,
If not.
You may definetly need to clean up your PC.
Here is instructions about how to clean your PC: http://www.wikihow.com/Clean-Your-Computer
1. Download a nice PC cleaner from http://www.pc-registry-repair.cc
(System cleaner is a best choice)
2. Run the cleaner and clean up your PC.
3. Restart your PC
Source : Yahoo Answers

Keep Your Computer Safe and Healthy with these 12 Amazing Tips


In today’s life, we cannot discard the truth that we are really dependent on the things that our gadgets and computer systems can offer us. But even these extraordinary equipments that made our lives easier have their own drawbacks and limitations. I do not feel that you would wish that your computer system should cost you high expenses in a very short amount of time. So I have explained some helpful and useful tips that can keep your computer systems healthy and in ideal running condition for a very long time.

1. Always update your system. Whether you are a Windows or a Macintosh user it is suggested that you do a weekly update for you systems to keep up with the latest patches that your system provider can offer.
2. Have reliable anti-virus software installed in your system. Be sure to update your anti-virus and have a weekly scan check for viruses in your computer systems.
3. Have tune-up software installed in your system and have it run weekly. This software helps you in cleaning your system making it more efficient and accelerates your system’s performance.
4. Have spyware prevention software installed into your system. You may be virus free, but spywares are also one of the major causes for your systems to break down.
5. Always keep a backup for your important files. In this way you can be sure that if your system fails, you still have a chance to restore the files you have lost.
6. As much as possible be organized on your files and folders. Believe it or not, a messy desktop or a hard drive that is not partitioned can affect your system’s performance. So I advice you have a partition on your hard drives and keep your files and folders in the most organized way as possible.
7. Be sure about the software that you install. Check it’s system requirements whether it is compatible with your system or not.
8. Be careful in downloading stuffs from the internet. Specially the free ones.
9. Computers may be super machines built to serve mankind, but it also needs rest. Give your systems a break, a chance to cool down.
10. A computer is composed of both hardware and software, so check you hardware too. Some of computer problems are not caused by viruses; instead they are caused by glitches on your hardware. So it is advised to check your hardware too.
11. Have a power regulator. This will assure that your computer gets regular flow of power. Too much of it or lack of it may affect your computer’s performance and may lead to serious problems.
12. Defrag your system every once in a while. Doing this can help your computer function more efficiently.
Article Source: http://EzineArticles.com/?expert=Pinky_Mcbanon