This is default featured post 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

Showing posts with label Apple. Show all posts
Showing posts with label Apple. Show all posts

Friday, January 6, 2012

আসছে ৫০ ইঞ্চি অ্যাপল টিভি

সম্প্রতি খবর চাউর হয়েছে ৫০ ইঞ্চি বা ৫৫ ইঞ্চি মাপের টেলিভিশন তৈরি করছে টেক জায়ান্ট অ্যাপল। অ্যাপল-এর সূত্র উল্লেখ করে ইউএসএ টুডে অ্যাপল-এর নতুন টেলিভিশন বিষয়ে তথ্য দিয়েছে। খবর সিনেট-এর।

সম্প্রতি খবর রটেছিলো অ্যাপল ৩২ এবং ৩৭ ইঞ্চি মাপের টিভি তৈরি করছে। কিন্তু ইউএসএ টুডেতে প্রকাশিত প্রতিবেদন বলছে, অ্যাপল-এর তৈরি ‘আইটিভি’র মাপ আরো বড়ো হতে পারে। অ্যাপল ৪২ ইঞ্চি মাপের ওয়াই-ফাইযুক্ত এলসিডি টিভি আনতে পারে। এ ছাড়াও সদ্য নাইট উপাধি পাওয়া অ্যাপল-এর ডিজাইন গুরু জনি আইভ ৫০ ইঞ্চি মাপের একটি টিভি তৈরি করছেন বলেও খবর রটেছে।

অস্ট্রেলিয়ান প্রযুক্তি সাইট স্মার্টহাউজ অবশ্য এর আগে বলেছিলো ৩২ থেকে ৫৫ ইঞ্চি মাপের তিনটি টিভি তৈরি করছে অ্যাপল।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি থেকে লাস ভেগাসে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বের বৃহত্তম কনজিউমার ইলেকট্রনিক্স-এর মেলা সিইএস উপলক্ষে বিশালকার টিভি এবং নতুন প্যানেল আনবে সনি, এলজির মতো প্রতিষ্ঠান। জানা গেছে, টেলিভিশন বাজারে অ্যাপল নিজেদের স্থান পাকা করতেই বড়ো আকারের টেলিভিশন তৈরি করছে।

নতুন এ টেলিভিশনে এক্সবক্স গেইমিং কনসোলের মতো জেশ্চার বা অঙ্গভঙ্গি বুঝতে পারার প্রযুক্তি ব্যবহৃত হবে বলেও বাজারে গুজব রয়েছে। এছাড়াও নতুন হার্ডওয়্যার এবং আইপ্যাড ও আইফোন ডিভাইসের মতো টিভিতেও অ্যাপস্টোর যোগ হবে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিবিশ্লেষক পিটার মিসেক জানিয়েছেন, নতুন প্রযুক্তির এমন টিভি তৈরির পরিকল্পনা করে গেছেন অ্যাপলের প্রয়াত সিইও স্টিভ জবস নিজেই। তার বায়োগ্রাফিতেও এমন ইঙ্গিত দিয়ে গেছেন তিনি।’

অ্যাপল কর্তৃপক্ষ অবশ্য এ বিষয়ে মুখ বন্ধ করে রেখেছে।



বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

Monday, December 12, 2011

হাঙ্গেরিতে বসছে স্টিভ জবসের ব্রোঞ্জ মূর্তি

অ্যাপল প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত স্টিভ জবসের ব্রোঞ্জ মূর্তি বসছে হাঙ্গেরিতে। হাঙ্গেরিয়ান সফটওয়্যার কোম্পানি গ্রাফিসফট ২১ ডিসেম্বর হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টে এ মূর্তি স্থাপন করছে। খবর এনডিটিভি-এর।

গ্রাফিসফট-এর জন্য স্টিভ জবসের অবদান স্মরণ করেই এ মূর্তি তৈরি করছে প্রতিষ্ঠানটি।

গ্রাফিসফট প্রতিষ্ঠাতা গ্যাবর বোজার ১৯৮৪ সালে জার্মানিতে অনুষ্ঠিত টেকনোলজি ট্রেড শোতে প্রথম স্টিভ জবসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। আর অ্যাপলের তৈরি’ লিজা কম্পিউটারে আর্কিক্যাড নামে ত্রিমাত্রিক ডিজাইন তৈরি করেছিলো গ্রাফিসফট। আর এ সফটওয়্যার তৈরি করতে উৎসাহ যুগিয়েছিলেন স্টিভ।

গ্রাফিসফট-এর প্রযুক্তিতে তিনি আস্থা দেখিয়েছিলেন এবং তিনি গ্রাফিসফটের পেছনে অর্থও বিনিয়োগ করেছিলেন বলে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এ ছাড়াও গ্রাফিসফটের হয়ে বিপণনের কাজটিও স্টিভ জবস করে দিয়েছিলেন। স্টিভের অবদান স্মরণ করেই  ব্রোঞ্জেরে মূর্তি তৈরি করছে প্রতিষ্ঠানটি।

হাঙ্গেরির ভাস্কর এরনো টথ স্টিভের ভাস্কর্যটি তৈরি করছেন। এ ভাস্কর্যে টার্টলনেক শার্ট, জিন্স, স্নিকার এবং গোল লেন্সযুক্ত চশমা পরিহিত আইকনিক স্টিভ জবসকেই তুলে ধরা হবে যিনি একহাতে আইফোন সদৃশ একটি রিমোট কন্ট্রোল ধরে রাখবেন। এ ভাস্কর্যটি স্টিভের বিভিন্ন প্রেজেন্টটশনে উপস্থিত হবার বিষয়টিকে তুলে ধরবে।

২ মিটার উচ্চতার এ ভাস্কর্যটির ওজন হবে ২২২ কেজি। এ ভাস্কর্যটি গ্রাফিসফট পার্কে স্থাপন করা হবে।
গত ৫ অক্টোবর মারা গেছেন স্টিভ জবস।




বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

Monday, November 14, 2011

টাই-ক্লিপ লাউডস্পিকার বানাচ্ছে অ্যাপল

আইপড শাফল-এর মতো দেখতে একটি লাউডস্পিকারের পেটেন্ট আবেদন করেছে টেক জায়ান্ট অ্যাপল। লাউডস্পিকারটি টাই পিনের মতো পোশাকে আটকে রাখা যাবে। খবর নিউ সায়েন্টিস্ট-এর।

ক্ষুদে এই লাউডস্পিকারটি আইফোন, আইপড এবং আইপ্যাডে ব্যবহার করা যাবে।

উল্লেখ্য, অ্যাপলের পণ্যের জন্য থার্ড পার্টির বিভিন্ন স্পিকার কিনতে পাওয়া যায়। তবে, নিজস্ব লাউডস্পিকার আনতেই অ্যাপল এ পেটেন্ট-এর আবেদন করলো।

নতুন এ লাউডস্পিকারে পিজোইলেকট্রিক প্রযুক্তির বদলে স্পিংভর্তি ক্লিপ ম্যাকানিজম ব্যবহৃত হবে বলেই জানা গেছে।

অবশ্য অ্যাপলের তৈরি এই লাউডস্পিকার কবে নাগাদ বাজারে আসবে কর্তৃপক্ষ সে বিষয়ে এখনও মুখ খোলেনি।




বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

Wednesday, November 2, 2011

ম্যাকবুকে আসছে নতুন মডেল

টেক জায়ান্ট অ্যাপল ম্যাকবুকের মতোই নতুন আরেকটি মডেলের ল্যাপটপ তৈরি করছে বলেই খবর রটেছে। নতুন ডিভাইসটি ম্যাকবুক এয়ারের মতোই পাতলা হবে, তবে এর মাপ হবে এয়ারের চেয়ে বেশি। খবর সিনেট-এর।

নতুন মডেলের  ডিভাইসগুলো হতে পারে ১৫ ইঞ্চি এবং ১৭ ইঞ্চি মাপের। নতুন ডিভাইসগুলোতে স্যান্ডিব্রিজ প্রসেসরের বদলে উন্নত আইভিব্রিজ প্রসেসর ব্যবহৃত হতে পারে।

বর্তমানে বাজারে থাকা অ্যাপলের ম্যাকবুক সিরিজে পাতলা ম্যাকবুক এয়ারের সর্বোচ্চ মাপ ১৩ ইঞ্চি। কিন্তু জাপানী প্রযুক্তিসাইট ম্যাকোতাকারা’র তথ্য মতে, অ্যাপল এবারে পাতলা মডেলের ডিভাইসগুলোর মাপ আরো বড়ো করছে।

অবশ্য ডিভাইসগুলো বিষয়ে অ্যাপল কর্তৃপক্ষ মুখ খোলেনি।
এদিকে নতুন মডেলের ডিভাইসটি ম্যাকবুক এয়ার নাকি ম্যাকবুক প্রো সিরিজে যুক্ত হবে সে বিষয়ক কোনো তথ্যও ফাঁস হয়নি।




বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

Saturday, October 22, 2011

মালিক চেনে না সিরি!

কে কমান্ড দিচ্ছে, শত্রু, মিত্র নাকি মালিক সে বিষয়টি তা শনাক্ত করতে পারে না সিরি সফটওয়্যার। ফলে ডিভাইস বন্ধ থাকলেও সিরি অচেনা সঙ্গীর কমান্ড নিয়েও কাজ চালিয়ে যায়। তাই আইফোন ৪ এস-এর সঙ্গে আলোচিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন সফটওয়্যার সিরি’ নিরাপত্তা ত্রুটি বিষয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে। খবর টাইমস অফ ইন্ডিয়া-এর।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সিরিতে থাকা ডিফল্ট সিকিউরিটি সেটিংস ব্যবহার করে সহজেই সিরিকে কমান্ড করা যায়।

কম্পিউটার এবং সফটওয়্যার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান সফোস-এর গবেষকরা জানিয়েছেন, আইফোন ৪ এস যদি পাসকোড দিয়ে লক করে রাখা হয় তারপরও অননুমোদিত কোনো ব্যবহারকারী বাটন চেপে সিরি’কে কমান্ড দিতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে কাউকে মেইল পাঠানো বা ক্যালেণ্ডার টেম্পারিং করার মতো কাজও।

সফোস কর্তৃপক্ষ সিরি’র নিরপত্তা হিসেবে ডিভাইস লকের পাশাপাশি সিরিকেও বন্ধ করতে পরামর্শ দিয়েছেন।

সিরি’র ব্যাখায় অ্যাপল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সিরি হচ্ছে কণ্ঠস্বর শনাক্তকারী ‘ব্যক্তিগত সহকারী; যা আইফোন ৪-এস-এর একটি সফটওয়্যার। কণ্ঠের মাধ্যমে ডিভাইসটি নিয়ন্ত্রণের এই ক্ষমতা এনে দেয় সিরি নামের সফটওয়্যারটি।

সিরি কথাও বলতে পারে এবং বুঝতে পারে প্রশ্নও। আইফোন ৪ এসকে কোনো প্রশ্ন করা হলে সেটির উত্তর ডিসপ্লের পাশাপাশি কণ্ঠস্বরে জানিয়েও দিতে পারে সিরি। সিরিকে তাই বলা হচ্ছে ‘ভার্চুয়াল সঙ্গী।’ এটি কাজ করে অনলাইন সার্চ পদ্ধতিতে।




বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

Saturday, October 15, 2011

২৫ বছর আগেই স্টিভের হাতে ছিলো আইপ্যাড!

মোবাইল কম্পিউটিংয়ের জগতটাকে পাল্টে দেওয়া আইপ্যাড ২৫ বছর আগেই অ্যাপল সহ-প্রতিষ্ঠাতা স্টিভের হাতে দেখেছিলেন বলে জানিয়েছেন তার প্রতিবেশী এবং প্রযুক্তির ভবিষ্যতবক্তা রে হ্যামন্ড। খবর টাইমস অফ ইন্ডিয়া-এর।

রে দাবি করেছেন, আইকনিক উদ্ভাবক স্টিভ জবসকে অ্যাপল থেকে তখনকার দায়িত্বপ্রাপ্ত সিইও জন স্কালি ‘তাড়িয়ে’ দেওয়ার আগেই স্টিভ জবস আইপ্যাড নিয়ে কাজ করছিলেন।

রে হ্যামন্ড ১২ অক্টোবর ভারতের পুনেতে অনুষ্ঠিত ন্যাসকম ইঞ্জিনিয়ারিং সামিটে এ তথ্য জানিয়েছেন। ১৯৮৪ সালে হ্যামন্ড ‘দ্য অনলাইন হ্যান্ডবুক’ নামে ই-কমার্সের ওপর বিশ্বের প্রথম বই লিখেছিলেন। প্রযুক্তি বিষয়ে তার অনেক অনুমানই সঠিক হয়েছে। ফলে প্রযুক্তির ভবিষ্যতবক্তাই এখন তার পরিচয়। এ ছাড়াও তিনি একসময়ে স্টিভের প্রতিবেশী ছিলেন।

রে হ্যামন্ড জানিয়েছেন, স্টিভ জবসই আমাকে প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। ঘটনার দিনটিতে আমি আমার গাড়িটি পরিষ্কার করছিলাম। একটু দূরেই আরেকটি লোক তার গাড়িতে কি জানি করছিলো। আমার সঙ্গে জানাশোনা অতোটা ছিলো না। আমার দিকে এগিয়ে এসে একটি স্প্যানার চাইলো। এর কিছুদিন পর সে একটি কম্পিউটার তৈরি করেছে বলে আমাকে দেখালো। তার সে কম্পিউটারটি দেখেই আমার প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ বেড়ে গেলো। এ ঘটনার দশ বছর পর আমি যখন অ্যাপলের হেডকোয়ার্টারে গেলাম তখন জানতে পারলাম প্রতিবেশী সেই লোকটির চাকরিই চলে গেছে!’

‘এরপর দায়িত্বপ্রাপ্ত সিইও স্কালি আমাকে একটি ভিডিও দেখালেন এবং বললেন, স্টিভ অ্যাপল থেকে চলে যাবার সময় এ ভিডিওটি তৈরি করে গেছে। বিশ্বাস করবেন কিনা জানিনা, সে ভিডিওটি ছিলো এখনকার আইপ্যাডের।’

হ্যামন্ড আরো বলেছেন, ‘স্কালির সঙ্গে ভিডিওটি দেখার পরে স্কালি আমাকে বলেছিলেন ২০১০ সালে ডিভাইসটি বাজারে আসবে।’

উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ২৭ মার্চ বাজারে আসে আইপ্যাড। আইপ্যাডের দ্বিতীয় সংস্করণ বাজারে আসে চলতি বছরের মার্চে। বর্তমানে এর তৃতীয় সংস্করণটি তৈরি করছে বলেই বাজারে খবর রয়েছে।



বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

Friday, October 7, 2011

স্টিভ জবসের চলে যাওয়া, আমাদের শোক এবং কিছু ছবি

আসলে এই পৃথিবীতে কারও জন্য কিছু থেমে থাকেনা। তারপরেও এই পৃথিবী থেকে কিছু মানুষের চলে যাওয়া কখনো পূরণ হবার নয়। তেমনি ভাবে আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন "স্টিভ জবস"। মাউস নিয়ন্ত্রিত আইকন ভিত্তিক ব্যক্তিগত কম্পিউটার, অ্যাপল ম্যাকিন্টস, আইপড, আইপ্যাড এবং আইফোন উদ্ভাবণের মাধ্যমে স্টিভ জবস বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তি বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন। অ্যাপল ই প্রথম কম্পিউটার জগতে নিয়ে আসে রঙ, রূপ, স্মার্টনেস আর ব্যবহারবান্ধব প্রযুক্তি। কম্পিউটার অ্যানিমেশন ও কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন মেশনের ব্যবহার করে পিক্সার স্টুডিওকে দেন নতুন প্রান, পরিণত করেন পৃথিবীর সেরা সিজিআই এনিমেশন স্টুডিওতে। তার অক্লান্ত পরিশ্রম আর কল্পনা-প্রযুক্তির সমন্বয়ে পিক্সার স্টুডিও থেকে মুক্তি পায় টয় স্টোরি, এ বাগস লাইফ, টয় স্টোরি-২, মনস্টার ইঙ্ক, ফাইন্ডিং নিমো, ইনক্রেডিবলস, টয় স্টোরি-৩ এর মত বিশ্ব কাপাঁনো অসাধারণ সম্পূর্ণ এনিমেশন চলচিত্র। শুধু তাই নয়, তিনি ছিলেন জীবণ সংগ্রামের এক আদর্শ দৃষ্টান্ত। পুরো বিশ্বই আজ (৬ অক্টোবর) হারালো প্রযুক্তিবিশ্বের এই অপূরণীয় মহানায়ককে। তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছু ছবি সবার সাথে শেয়ার করলাম।






































Saturday, August 27, 2011

অ্যাপল থেকে অবসরে গেলেন স্টিভ জবস


টেক জায়ান্ট অ্যাপলের প্রধান নির্বাহীর পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন স্টিভ জবস। ২৪ আগস্ট বুধবার তিনি অ্যাপলের সিইও পদটি ছেড়ে দেবার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি পদ ছেড়ে দেওয়ায় অ্যাপল সিইও পদের দায়িত্ব পেয়েছেন চিফ অপারেটিং অফিসার টিম কুক।  স্বাস্থ্যগত সমস্যার কারণে নিজ হাতে গড়া ওই প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদটি ত্যাগ করেছেন বলেই জানা গেছে। গ্যারেজ থেকে শুরু হওয়া অ্যাপল এখন বিশ্বের সেরা প্রযুক্তি কোম্পানি। বলা হচ্ছে, অ্যাপলের কোষাগারে যে পরিমাণ সম্পদ রয়েছে তা যুক্তরাষ্ট্র সরকারেরও নেই। কিন্তু সাফল্যের এ চূড়ায় উঠতে অ্যাপলকে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয়েছে।  আর এ পথের কাণ্ডারি ছিলেন স্টিভ। তবে, স্টিভ জবসের সরে যাওয়ার পেছনে অন্য কোনো কারণও থাকতে পারে বলেই খবর চাউর হয়েছে।

সম্প্রতি খবর রটেছিলো, অ্যাপলের বোর্ড মেম্বাররা রুদ্ধদ্বার এক বৈঠকে বসেছিলেন। সে সভাতেই স্টিভ জবসকে সরিয়ে দেবার পরিকল্পনা আঁটা হয়েছিলো। অবশ্য, একথা নিজেও জানতেন স্টিভ জবস। তার নিজেরও ইচ্ছা ছিলো, সরে দাঁড়ানোর। তাই ২৪ আগস্টকেই বেছে নিলেন পদ ছাড়ার তারিখ হিসেবে।

কিছুদিন ধরেই স্টিভ জবস টের পাচ্ছিলেন শরীর ঠিক তার কথা শুনছে না। খবর রটেছিলো, স্টিভ জবসের আয়ু ফুরিয়ে আসছে। অনেক বিশেষজ্ঞ তো তার ছবি দেখেই বলে দিয়েছিলেন, আর মাত্র কয়দিন স্টিভ জবস! তবে, সেসব তোয়াক্কা না করেই তিনি অ্যাপল সামলেছিলেন। তবে, তিনি নিজেকে বিশ্রাম দিতে মেডিকেল লিভ নিয়েছিলেন তিনবার।


স্টিভ জবসের নিন্দুকেরও অভাব ঘটেনি। অনেকেই স্টিভ জবসকে মনে করেন ‘একনায়ক, যিনি কোম্পানি চালান নিজের হাতে।’ ক্যান্টিনের খাবারের মেনু থেকে অ্যাপল পণ্যের বিকিকিনি কোনটাই তার নজর এড়িয়ে যায় না। পান থেকে চুন খসলেই স্টিভের এক মুহূর্ত লাগে না কঠিনতম সিদ্ধান্তটি নিতে।’

স্টিভের জীবন কেমন ছিলো, কেমনই বা ছিলো আচরণ, ব্যক্তিগত মতাদর্শ এমন অজানা অনেক কথা নিয়েই বিখ্যাত জীবনীকার ওয়াল্টার আইজ্যাকসনকে একটি বায়োগ্রাফি লেখার অনুমতি দিয়েছিলেন স্টিভ। সে বায়োগ্রাফি অক্টোবর ১৫ তারিখেই বাজারে চলে আসবে। সম্ভবত এ বায়োগ্রাফিটিতে ব্যক্তি স্টিভকে পাওয়া যাবে অনেকটাই।

স্টিভ জবস অ্যাপল হেডকোয়ার্টারকে নতুন করে দেখতে চেয়েছেন। সেজন্যই সম্প্রতি স্পেসশিপ আকারের হেডকোয়ার্টার তৈরির কাজে হাত দিয়েছে অ্যাপল। কুপারটিনোর এ হেডকোয়ার্টার দেখে মনে হবে আকাশ থেকে কোনো মাদারশিপ যেনো নেমে এসেছে! আর এটা দেখে অ্যাপলের ‘ভবিষৎদ্রষ্টা’ স্টিভকেই যেনো মনে রাখে বিশ্ববাসী।

অ্যাপল পণ্যের একটা বিশেষ বৈশিষ্ট্য দাঁড় করাতে পেরেছেন স্টিভ জবস। অ্যাপলের প্রতিটি পণ্যের সঙ্গে একটা করে ইংরেজি ছোট হাতের ‘আই’ দিয়েই শুরু করার প্রচলন টা তারই। যেমন, আইপড, আইফোন, আইম্যাক। এ ধারায় তার বায়োগ্রাফিটিরও নাম হতে যাচ্ছিল ‘আইস্টিভ: দ্য বুক অফ জবস’। তবে, শেষমেশ, লেখক আইজ্যাকসন তার স্ত্রী-কন্যার অনুরোধে সহজ নাম ‘স্টিভন জবস’ রেখেছেন’।


ব্লু জিনস, টার্টলনেক ফুল হাতা কালো টিশার্ট আর কেডস পরিহিত স্টিভ মানেই আইকনিক অ্যাপল আর সাফল্যের প্রতিমূর্তি। তবে, স্টিভের সাফল্য একবারে আসেনি। তাকেও পার হতে হয়েছে চড়াই উৎরাই। ইনটেলের চাকরি ছেড়ে দিয়ে স্টিভ জবস এবং স্টিভ ওজনিয়াক মিলে যে অ্যাপল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তাকে নানা চড়াই-উৎরাই পার হতে হয়েছে, ঘটেছে নানা ঘটনা। কর্পোরেট ক্যু-র মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবসকে অ্যাপল থেকে বের করে দেয়া হয়েছিলো। এরপর প্রতিষ্ঠানটি লোকসানের দায়ে ডুবতে বসেছিলো। কিন্তু ১৯৯৭ সালে স্টিভ জবস আবার ফিরে অ্যাপলকে দাঁড় করান।

২০০১ সালে স্টিভ জবস প্রতিষ্ঠানটির পণ্য পরিকল্পনায় ব্যপক পরিবর্তন আনেন এবং প্রতিষ্ঠানটি কম্পিউটারের পাশাপাশি ইলেকট্রনিক ডিভাইস তৈরি করতে শুরু করে। এই সিরিজের প্রথম পণ্য ছিলো গান শোনার যন্ত্র আইপড। এরপর পণ্য তালিকায় যোগ হয় আইফোন।

মূলত কম্পিউটারের পাশাপাশি ইলেকট্রনিক পণ্যের সাফল্যের সঙ্গেসঙ্গেই শুরু হয় অ্যাপলের জয়যাত্রা। পাশাপাশি স্টিভ জবসের নেতৃত্বেই দূরদর্শী কম্পিউটিং পণ্য হিসেবে যোগ হয় পাওয়ার ম্যাক, আইম্যাক, ম্যাকবুক, এবং সর্বশেষ যোগ হয় বাজার-ছাপানো আইপ্যাড।

চলতি বছরের ১৭ জানুয়ারি থেকে স্বাস্থ্যগত কারণে দ্বিতীয় বারের মতো ছুটিতে যান ৫৬ বছর বয়সী স্টিভ। তিনি অর্নিদিষ্ট কালের জন্য ছুটি চেয়েছিলেন। তবে, বিভিন্ন সময় বিভিন্ন  কারণেই সংবাদ শিরোনামে এসেছেন তিনি। তিনি আইপ্যাড ২ বাজারে আনার সময় ছুটি ভেঙ্গে চলে এসেছিলেন। এ ছাড়াও তিনি ছুটিতে থাকলেও অ্যাপলের সব খুঁটিনাটিই খেয়াল করতেন। বিশেষজ্ঞরা তার বিষয়ে বলেন, ‘কাজের লোক, যে কিনা কাজ ছাড়া থাকতে পারে না।’

পদত্যাগপত্র
২৪ আগস্ট অবসরে যাওয়া স্টিভ জবস অ্যাপল বোর্ড বরাবর পাঠানো সংক্ষিপ্ত একটি চিঠিতে জবস লিখেছেন, ‘আমি সবসময়ই বলেছি, যদি এমন কোনোদিন আসে অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে আমি আমার দায়িত্ব ও প্রত্যাশা পূরণ করতে পারছি না, তবে আমিই সেটি প্রথম জানাবো। অপ্রত্যাশিতভাবে সেই দিনটি এসেছে। আমি অ্যাপলের প্রধান নির্বাহীর পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি।’

জবস চিঠিতে আরো লিখেছেন, ‘আমি বিশ্বাস করি অ্যাপলের উজ্জ্বলতম এবং উদ্ভাবনী সময় সামনেই এবং আমি আগামী সময়ের দিকে তাকিয়ে আছি যেখানে নতুন কোনো ভূমিকায় আমি এর সাফল্যে অবদান রাখতে পারবো।’

চিঠিতে জবস সব সহকর্মীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।


প্যানক্রিয়েটিক ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ফলে স্টিভ জবসের পাকস্থলী প্রতিস্থাপন করতে হয়। সৃজনশীলতা ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন জবসের অসামান্য দক্ষতার কারণে অ্যাপল বিশ্বের অন্যতম প্রধান কম্পিউটার প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। ক্রমে অ্যাপল ও স্টিভ জবস সমার্থক হয়ে ওঠে।

২০০৪ সালের অগাস্টে স্টিভ জবসের শরীরে এই বিরল ক্যান্সার ধরা পড়ে। তখন অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তাকে ক্যান্সারআক্রান্ত টিউমার অপসারণ করতে হয়। ২০০৯ সালে জবসকে পাকস্থলী প্রতিস্থাপন করতে হয়। এরজন্য তিনি প্রায় দুই মাস ছুটিতে ছিলেন।

সর্বশেষ ২০১১ সালের জানুয়ারিতে ছুটি নেন তিনি। এরপর ছুটিতে থাকা অবস্থাতেই ২৪ আগস্ট বুধবার তিনি অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার পদ ত্যাগের ঘোষণা দেন।

প্রোফাইল
স্টিভেন পল জবস ১৯৫৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি  জন্মগ্রহণ করেন।  স্টিভ জবস, স্টিভ ওজনিয়াক এবং রোনাল্ড ওয়েন মিলে ১৯৭০ সালে অ্যাপল কম্পিউটার প্রতিষ্ঠা করেন। এরপর তিনি পিক্সার স্টুডিও এবং নেক্সট নামে আরো দুটি সফল প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।

জবস জন্মেছিলেন স্যান ফ্রান্সিস্কোতে। কিন্তু সুখকর ছিলো না তার ছোটোবেলা। জন্মের পরপরই তাকে দত্তক দিয়ে দেয়া হয়। পল ও ক্লারা জবস দম্পত্তি তাকে দত্তক নেন। তার নাম রাখা হয় স্টিভেন পল জবস। সামান্য ভালো খাবারের জন্য তাকে পুরো সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হতো। কিন্তু তার প্রকৃত পিতা মাতা ছিলেন জোয়ন ক্যারোল এবং আব্দুল্লাহ ফাতাহ জান্দালি (সিরিয়া থেকে স্নাতোকোত্তর, পরবর্তীতে রাষ্ট্র বিজ্ঞানের অধ্যাপক হয়েছিলেন)।

জবস কুপারটিনো জুনিয়র হাই স্কুলে এবং হোমস্টিড হাই স্কুলে গিয়েছিলেন। তিনি প্রায়ই হিউলেট-প্যাকার্ড কোম্পানিতে লেকচারগুলোতে অংশগ্রহণ করতেন। যেখানে পরবর্তীতে তিনি গ্রীষ্মকালীন কর্মচারী হিসাবে স্টিভ ওজনিয়াকের সঙ্গে কাজ করেন। ১৯৭২ সালে তিনি হাইস্কুল শেষ করেন এবং রিড কলেজে ভর্তি হন। যদিও তিনি পরবর্তীতে কলেজ ছেড়ে দেন তার পরেও তিনি ক্যালিওগ্রাফী সহ আরো কিছু ক্লাশে যোগদান করেছিলেন। এরপরই ১৯৭৬ সালে ওজনিয়াকের সঙ্গে বাড়ির গ্যারেজে প্রতিষ্ঠা করেন ছোট্ট প্রতিষ্ঠান অ্যাপল। আর তাদের অ্যাপল ১ দিয়েই শুরু হয় যাত্রা। এরপর একে একে স্টিভ জবসের হাত ধরে এসেছে আধুনিক প্রযুক্তির অনেক পণ্যই।

অ্যাপল-এর আগামীর পণ্য
স্টিভ জবস অবসরের ঘোষণা দেবার আগেই অ্যাপলকে বিশ্বের এক নম্বর কোম্পানি হিসেবে দাঁড় করিয়ে গেছেন। এখন বিশ্বের স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেট বাজারে শীর্ষস্থানটিও অ্যাপলেরই। সম্প্রতি অ্যাপল নিজস্ব অপারেটিং সিস্টম ম্যাক ওএস এক্স লায়ন বাজারে এনেছে। আরও এনেছে, ম্যাকবুক এয়ার, ম্যাক মিনিসহ পাতলা ডিভাইস সংস্করণ। বাজারে আসার কথা রয়েছে আইফোন ৫ এবং আইফোন ৪ এর কমদামী সংস্করণ। আইপ্যাড ৩ বা আইপ্যাড এইচডি ঘিরেও রয়েছে প্রযুক্তিবিশ্বে অনেক উৎসাহ। এ ছাড়াও নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং পেটেন্ট করতেও অ্যাপল পিছিয়ে নেই। খবর রটেছে, নকিয়া কোম্পানি কিনে নেবার কথাও ভাবছে অ্যাপল। অ্যাপলের প্রতিদ্বন্দী হিসেবে কাউকে দেখা যাচ্ছে না। তবে, সার্চ জায়ান্ট গুগলই তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দী হতে পারে বলেই বিশেষজ্ঞদের মত।

অবশ্য, অ্যাপল তাদের প্রযুক্তি নকল করছে বলেই অন্যান্য টেক জায়ান্টদের বিরুদ্ধে মামলা করতেও ছাড়েনি। স্যামসাং, নকিয়া, মটোরোলা সব প্রতিষ্ঠানই ভুগেছে অ্যাপলের মামলায়। তবে, অ্যাপল সহজে কারো কাছে হেরে বসে নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘অ্যাপলের সাফল্য এসেছে স্টিভের নীতিতেই।’।

জবস শুন্য অ্যাপল: অ্যাপলের ভবিষ্যৎ কী?
অ্যাপলকে এক নম্বর স্থানে দাঁড় করিয়ে পদ ছাড়লেন স্টিভ। খবর রটেছে, ‘কিছুটা হলেও অসন্তুষ্টি রয়েছে স্টিভের মনে। কারণ শেষপর্যন্ত বোর্ড মেম্বাররা আর নাকি তাকে চাইছিলেন না।’ কিন্তু নিজের অসুস্থতার কথা জানিয়ে অ্যাপল ছেড়ে দেবার ফলে অ্যাপলের বর্তমান সিইও টিম কুকের ওপর প্রত্যাশার চাপ বেড়ে যাবে বলেই বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। টিম কুক কতোটা স্টিভের উত্তরসূরী হতে পারবেন সেটা সময়ই বলে দেবে। তবে, টিম কুকও দীর্ঘদিন স্টিভের সংস্পর্শে থেকেছেন। স্টিভের অনুপস্থিতিতে দায়িত্ব সামলেছেন। তিনি হয়তো স্টিভের মতো না হলেও ঠিকই অ্যাপলকে সামলে রাখবেন বলেই বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

টিম কুক
অ্যালকোহল যিনি বেশি পান করেন তাকে অ্যালকোহলিক বলা হয়। আর যিনি বেশি কাজ বা ওয়ার্ক করেন তাকে বলা হয় ওয়ার্ককোহলিক। ওয়ার্ককোহলিক শব্দটা মানায় টিম কুকের সঙ্গে। তিনিই আপাতত স্টিভের বদলে অ্যাপলের কাণ্ডারি।



বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

Thursday, August 18, 2011

ওএসএক্স লায়ন এখন ইউএসবি ড্রাইভে

টেক জায়ান্ট অ্যাপল সম্প্রতি তাদের অপারেটিং সিস্টেমের নতুন সংস্করণ ওএক্স লায়ন বাজারে ছেড়েছে। এবারই প্রথমবারের মতো সিডি বা ডিভডি ছাড়া ইউএসবি ড্রাইভে কোনো কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম বাজারজাত করা হলো। খবর এমএসএনবিসি-এর।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ওএসএক্স লায়ন নামের এ অপারেটিং সিস্টেমটি ম্যাক অ্যাপ স্টোরে আগেই ডাউনলোডের জন্য দেয়া হয়েছিলো। এবার এটি ইউএসবি আকারে বাজারে এসেছে।

জানা গেছে, এটি ম্যাক অ্যাপ স্টোর থেকে ডাউনলোড করতে খরচ হবে ২৯.৯৯ ডলার। তবে, ইউএসবি ড্রাইভসহ এ সফটওয়্যারটি কিনতে খরচ পড়বে ৬৯ ডলার। এটি এখন থেকে অ্যাপলের রিটেইলারদের কাছেও পাওয়া যাবে।

ওএস এক্স লায়ন সফটওয়্যারটি মোট ৩.৪৯ গিগাবাইট আকারের। তাই কম গতির ইন্টারনেট সংযোগ থাকলে এটি ডাউনলোডের সময় সমস্যা হতে পারে বলেই সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, অ্যাপলের নতুন সংস্করণের এ অপারেটিং সিস্টেমটিতে আগের সংস্করণ স্নো লেপার্ডের চেয়ে ২৫০টির বেশি নতুন ফিচার যোগ করা হয়েছে।




বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

Monday, August 15, 2011

'অ্যাপল ক্যাম্পাস ২' এর নতুন ছবি প্রকাশ

ক্যালিফোর্নিয়ার কুপারটিনোয় তৈরি হবে টেক জায়ান্ট অ্যাপলের নিজস্ব ক্যাম্পাস। বিশ্বের ১ নম্বর কোম্পানি হিসেবে সদ্য খেতাব পাওয়া অ্যাপলের এ ক্যাম্পাসটি তৈরি হবে ১৫০ একর এলাকাজুড়ে। স্পেসশিপ আকারের কাঁচে ঘেরা পরিবেশবান্ধব একটি ক্যাম্পাস গড়ে তোলার খবর আগেই জানিয়েছিলেন অ্যাপল সিইও স্টিভ জবস।  সম্প্রতি অ্যাপল কর্তৃপক্ষ আবারও এ ক্যাম্পাসটির নতুন ছবি উন্মুক্ত করেছে। খবর সিনেট-এর।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ‘অ্যাপল ক্যাম্পাস ২’ এর নির্মাণকাজ ২০১৫ সালের মধ্যেই শেষ হবে।

জানা গেছে, স্টিভ জবস এ ভবনটির নকশাকে ‘স্পেসশিপ’ বলেই মন্তব্য করেছিলেন। চারতলা এ ভবনটিতে ১৩ হাজার মানুষের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে।  ভবনটিতে মাটির নীচে ১ হাজার সিটের একটি অডিটোরিয়াম, ৩ লাখ বর্গফুট এলাকাজুড়ে গবেষণাগার এবং গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে।

জানা গেছে, অ্যাপলের এ ক্যাম্পাসটির মধ্যেই বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য নিজস্ব পাওয়ার প্ল্যান্ট থাকবে।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, অ্যাপলের পরিকল্পনায় থাকা এ ভবনটির নকশার ছবি নতুন করে ছাড়ার পর অ্যাপল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ ভবনটি তৈরির পর মনে হবে মাদারশিপটি যেনো কুপারটিনোতেই নেমে এসেছিলো।

‘অ্যাপল ক্যাম্পাস ২’-এর নতুন ছবিতে ‘পরিচিতি’, ‘সাইট প্ল্যান’, ‘ফ্লোর প্ল্যান’, ‘তৈরির সরঞ্জাম’ বিষয়গুলো দেখানো হয়েছে।



বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

Tuesday, August 9, 2011

আসছে অ্যাপল 'রিপ্লে'

টেক জায়ান্ট অ্যাপল ক্লাউড ভিত্তিক মুভি সার্ভিস আনছে বলেই গুজব রটেছে। আর এই সার্ভিসটা আনতে নাকি খুব বেশি দেরীও নেই। খবর সিনেট-এর।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, অ্যাপলের ক্লাউডভিত্তিক এ মুভি সার্ভিসটির নাম হতে পারে ‘রিপ্লে’। অ্যাপলের আইটিউনস অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারকারীরা রিপ্লে সার্ভিসটি ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। আইটিউনস ব্যবহার করেই অ্যাপল সার্ভার থেকে পুরো মুভিটি নিজস্ব ডিভাইসে ডাউনলোড করে নেয়া যাবে।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, অ্যাপলের মুভি সার্ভিস নিয়ে গুজব রটলেও বাস্তবতা ভিন্ন। অ্যাপলকে এ সার্ভিসটি আনতে হলে বিভিন্ন ফিল্ম ইন্ড্রাস্ট্রির সঙ্গে চুক্তিতে যেতে হবে। তবে, অ্যাপল এ প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে ইতোমধ্যেই ধর্না দিয়েছে বলেও জানা গেছে।

সংবাদমাধ্যমটি আরো জানিয়েছে, অ্যাপলের প্রস্তাবে এইচবিও, টোয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি ফক্স, ইউনিভার্সাল, ওয়ার্নার ব্রাদার্স এবং ওয়াল্ট ডিজনির মতো স্টুডিওগুলো সাড়া দেয়, তবে শীঘ্রই আসছে অ্যাপল ‘রিপ্লে’।


বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম

Thursday, August 4, 2011

চালু হলো আইক্লাউড বিটা

টেক জায়ান্ট অ্যাপল কর্তৃপক্ষ তাদের মিডিয়া সম্প্রচার এবং ক্লাউডভিত্তিক সার্ভিস আইক্লাউড-এর বিটা সংস্করণ চালু করেছে। অ্যাপলের আইডি ব্যবহার করে এ সার্ভিসটি ব্যবহার করা যাবে। খবর ম্যাশএবল-এর।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, আইক্লাউড সার্ভিসটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে মুল্য কাঠামো নির্ধারণ করেছে অ্যাপল। জানা গেছে, এ সার্ভিসটিতে ৫ গিগাবাইট পর্যন্ত স্টোরেজ বিনামূল্যেই করা যাবে। ১০ গিগাবাইট-এর জন্য ২০ ডলার, ২০ গিগাবাইট ৪০ ডলার এবং ৫০ গিগাবাইট এর ক্ষেত্রে ১০০ ডলার খরচ হবে।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, আইক্লাউড সার্ভিসটিকে অ্যাপলের মোবাইল মি সার্ভিসটির উন্নত সংস্করণ ধরা হয়। এটি অ্যাপলের ক্লাউডভিত্তিক মিউজিক সার্ভিস।

ক্লাউড মিউজিক সার্ভিসটি অনেকটাই দূরে থাকা হার্ড ড্রাইভের মতো কাজ করে। ওয়েব সার্ভারে গান রেখে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ওয়েব ব্রাউজার থেকে সেটি সরাসরি শোনা যাবে আইক্লাউডে।



বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম